Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানুষ রাজ্যপালকে আর নিরপেক্ষ ভাবতে পারছেন না, দিলীপকে পালটা পার্থর

রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল, রাজভবনের বাইরে দাবি করেন দিলীপ ঘোষ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৮, ১৮:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৮, ১৮:৫৬

options
link
মানুষ রাজ্যপালকে আর নিরপেক্ষ ভাবতে পারছেন না, দিলীপকে পালটা পার্থর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যপালকে রাজ্যের মানুষ আর নিরপেক্ষ ভাবতে পারছেন না। বিজেপির প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করা প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিনে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম-সহ একাধিক জায়গায় সংঘর্ষের খবর মিলেছে। তাতেই প্রার্থীদের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র আক্রান্ত হচ্ছে দাবি তুলে রাজভবনে যায় বিজেপির প্রতিনিধি দল। ছিলেন মুকুল রায়, বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ অন্যান্য নেতারা। দেখা করার পর বেরিয়ে এসে দিলীপবাবু বলেন, রাজ্যপাল কালই রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ও নির্বাচন কমিশনারকে ডেকে পাঠাবেন। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছেন বলে জানান দিলীপ ঘোষ। সেই প্রসঙ্গেই কটাক্ষ করে তৃণমূল ভবনে পার্থ বলেন, ‘রাজ্যপাল কাউকে ডেকে পাঠিয়েছেন এমন কথা কোনওদিন শুনিনি। রাজ্যপাল কি চাইছেন তা অন্য কারও জানা সম্ভব নয় বা প্রকাশ্যে আসাও কাম্য নয়। দিলীপ বাবুরা প্রমাণ করে দিলেন, রাজ্যের মানুষ আর রাজ্যপালকে নিরপেক্ষ ভাবতে পারছেন না।’

[‘বুথে বহিরাগত ঢুকলে ওষুধ দেব’, পঞ্চায়েত ভোটের আগে হুমকি দিলীপের]

মঙ্গলবারই পালটা মারের কথা বলে হুমকি দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি। বলেন, দলের যাঁরা জেলায় জেলায় মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি তাঁদের বুধবার কলকাতায় নিয়ে এসে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে মনোনয়ন জমা দেওয়াবে বিজেপি। পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন কে ঘিরে রাজ্য জুড়ে যে অশান্তি হচ্ছে তা নিয়ে এবং শাসকদলের সন্ত্রাস নিয়ে অভিযোগ জানাতে মঙ্গলবার রাজ্যপালের কাছে যায় বিজেপির প্রতিনিধিদল। ছিলেন দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, সায়ন্তন বসু, শমীক ভট্টাচার্যরা। পরে রাজভবনের বাইরে এসে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, ‘অশান্তির ঘটনায় রাজ্যপাল শঙ্কিত। কাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল।’ তিনি বলেন, ‘সব ঘটনা শোনার পর রাজ্যপাল রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে ফোন করেন। কিন্তু তাঁরা কলকাতার বাইরে রয়েছেন।’ দিলীপের অভিযোগ, ‘বীরভূমে বিডিও অফিসের সামনে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদককে ছুরি মারা হয়েছে। মুর্শিদাবাদে জেলা সভাপতিকে রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে মারা হয়েছে। ৩২০টি বিডিও অফিসেই টার্গেট বিজেপি। গত দুদিন ধরে রাজ্যে সন্ত্রাস চলছে। নির্বাচন রক্তাক্ত হতে চলেছে। বিজেপি পিছিয়ে আসবে না।’ তাঁর দাবি, উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপাল উদ্বিগ্ন। তিনি রাজ্যের সঙ্গেও কথা বলবেন। এদিন নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়েও সন্ত্রাস নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে আসে মুকুল রায়ের নেতৃত্বে বিজেপির আর একটি প্রতিনিধিদল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[সম্পর্ক জুড়তে চান, মেয়রকে নিয়ে কাশ্মীরে বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব স্ত্রী রত্নার]

এদিন পার্থবাবু বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে যে উন্নয়নের রথ ছুটছে তাকে ব্যাহত করবার চেষ্টা করছে কংগ্রেস-বিজেপি যৌথভাবে। গতকাল অধীরবাবু দেখা করেছিলেন, আজ মুকুল, দিলীপ ঘোষরা রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন। রাজভবন থেকে বেরিয়ে এসে তাঁরা বললেন, রাজ্যপাল ডেকে পাঠিয়েছেন। এমন হয় কোনওদিন শুনিনি দেখিওনি। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কতটা শুভ তা রাজ্যের মানুষ ভেবে দেখুক।’ তারপরই তিনি বলেন, এরা বোধহয় আইনের শাসনকে ভয় পাচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পাচ্ছেন। আঙুর ফল টক ভেবে ফাঁকা কলসি বাজে বেশির মতো বলছেন, আমরাও মারতে শুরু করেছি। যে ভাষায় কথা বলছেন তাতে বোঝাই যাচ্ছে এরা আর গণতন্ত্রের উপর বিশ্বাস রাখছে না।’ দিলীপ ঘোষ পরে অবশ্য দাবি করেন, ‘নির্বাচন কমিশনার রাজ্যপালকে বলেছিলেন যে, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করার জন্য তারা রাজ্য সরকারকে বলেছিল। রাজ্য সরকার বলেছে পুলিশ যথেষ্ট।’ তবে রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষে এদিন রাজভবনে বিজেপির প্রতিনিধিদলের কাছে রাজ্যপাল এরকম কিছু বলেননি বলে জানান দিলীপ ঘোষ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.