Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
TMC

কেন তড়িঘড়ি মমতার হাত ছেড়ে ‘বিজেপির সঙ্গে সন্ধি’? গোপন বৈঠকে মুখ খুললেন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূলরা

রাজ্যে পালাবদল হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙেছে মমতার তৃণমূল। নেত্রীর দীর্ঘদিনের সঙ্গীরা তাঁর হাত ছেড়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ১৫:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ১৫:৪৯

options
link
কেন তড়িঘড়ি মমতার হাত ছেড়ে ‘বিজেপির সঙ্গে সন্ধি’? গোপন বৈঠকে মুখ খুললেন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূলরা zoom
কেন তড়িঘড়ি মমতার হাত ছেড়ে 'বিজেপির সঙ্গে সন্ধি'? গোপন বৈঠকে মুখ খুললেন 'বিদ্রোহী' তৃণমূলরা
Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে কেন ‘পদ্ম-সন্ধি’ বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ ও বিধায়কদের? কেন কাকলি-মালা বা অরূপ-ববিদের মতো বিশ্বস্ত নেতানেত্রীদের সঙ্গে কালীঘাটের সম্পর্ক ভেঙে গেল? শুধুই কি নিজেদের ‘বাঁচানো’ না অন্য কোনও রসায়ন? নিচুতলার দিদি-অনুরাগী কর্মীদের এমন নানা প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ সাংসদ ও ৬৮ বিধায়ক ঘরোয়া আলোচনায় বলছেন, “শুধু নিজেদের সুরক্ষা নয়, এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ও স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিজেপির হামলা থেকে বাঁচাতেই ঘুরপথে ‘পদ্ম-শিবিরের সঙ্গে সন্ধি’ করতে বাধ্য হয়েছি।” কারণ, মুখে এলাকায় লড়াই করতে বললেও বুথ স্তরের তৃণমূলকর্মীদের সুরক্ষা দূরের কথা হামলা হলে পুলিশি ব্যবস্থাও করাতে পারছেন না তাঁরা। পথে নামলে যে কী হয় সে তো স্বয়ং অভিষেক সোনারপুরে ডিমবৃষ্টি কাণ্ডে টের পেয়েছেন।

তবে এমন পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ ও বিধায়করা সকলেই একবাক্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। দল হারলেও ২০২১ সালে বিজেপির এমন ‘ছন্নছাড়া হাল’ হয়নি বলে যাঁরা ‘আসল তৃণমূল’ শিবিরকে নানাভাবে তোপ দাগছেন, কটাক্ষ করছেন, তাঁদেরও জবাব দিয়েছেন বিদ্রোহী বিধায়করা। বলছেন, “২০২১ সালে বিজেপি বিধায়কদের হামলা থেকে বাঁচাতে ও সুরক্ষা দিতে সিআরপিএফ ছিল, আমরা তো পুরোপুরি নিধিরাম। এবার কালীঘাটের তরফে শুধুই মৌখিক শুকনো আশ্বাস দেওয়া হচ্ছিল।”

Advertisement

বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে কলকাতায় আসা জেলার বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের সঙ্গে বিধানসভায় গত তিনদিনে যতবারই দেখা হয়েছে তাঁরা স্বীকার করেছেন, “আগের চেয়ে এখন এলাকায় রাজনৈতিক হামলা কিছুটা কমেছে। পুলিশি হয়রানি ও তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে অকারণে অভিযান বন্ধ করা গেছে। দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নিয়েও কথা হচ্ছে।” একাধিক ঋতব্রত-ঘনিষ্ঠ বিধায়ক এদিন জানান, ৪ মে-র পর প্রথম ১৫ দিনে নিচুতলার তৃণমূল কর্মীরা যখন ভয়ংকরভাবে অত্যাচারিত হচ্ছিলেন তখন কেউই ‘সেফ-গার্ড’ দিতে পারেনি। কিন্তু এখন হামলা হলে পুলিশ কথা শুনছে, বিজেপি নেতৃত্বকেও বলা যাচ্ছে। বস্তুত এই বোঝাপড়ার জেরে, একদিকে ঋতব্রত শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক এখন নিজের বিধানসভা ক্ষেত্রে যেমন যাতায়াত করছেন, তেমনই নিজের এলাকার উন্নয়ন নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে দরবার করে নানা প্রকল্প মঞ্জুর করাতে পারছেন। বিধায়কদের বক্তব্য, “ভোটে এলাকার প্রতিশ্রুতি মেনে কাজ করতে তো সরকারি সমর্থন চাই, সেটা ঋতব্রত-সন্দীপনরা অনেকটাই সাহায্য করছেন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.