সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা-সহ ১৩ রাজ্যের ২৯টি বিধানসভা এবং ৩টি লোকসভা আসনের উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরই ফের একযোগে বিজেপি এবং কংগ্রেসকে নিশানা করল তৃণমূল (TMC)। এরাজ্যের শাসকদলের দাবি, একের পর এক রাজ্যে শক্তি হারাচ্ছে বিজেপি। এই ফলাফলেই স্পষ্ট বিজেপির শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল বলছে, ক্রমশ বিজেপির সঙ্গে আপস করা এবং আন্দোলনবিমুখতা শক্তিহীন করছে বিরোধী কংগ্রেসকেও। তাই দিল্লিতে বিজেপির বিরোধী হয়ে উঠতে পারে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই (Congress)।

গতকালই ১৩ রাজ্যের ২৯টি বিধানসভা এবং ৩টি লোকসভা আসনের উপনির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। উপনির্বাচনের ফলাফল বিজেপির জন্য ছোটখাট হলেও ধাক্কা। কারণ, বাংলায় ৪ আসনের মধ্যে ৩ আসনে তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। হিমাচলে ৩টি বিধানসভা আসন এবং ১টি লোকসভা আসনের সবক’টিই তারা হেরেছে। রাজস্থানের দু’টি আসনে দ্বিতীয় স্থানটিও ধরে রাখতে পারেনি গেরুয়া শিবির। কর্ণাটকেও কংগ্রেসের কাছে একটি আসন খোয়াতে হয়েছে বিজেপিকে। মধ্যপ্রদেশের লোকসভা কেন্দ্রটি জিতলেও ভোটের ব্যবধান অনেকটা কমেছে। দাদরা নগর হাভেলি আসনটিও শিব সেনার কাছে খুইয়েছে গেরুয়া শিবির। সব মিলিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের দুই রাজ্য এবং বিহার ছাড়া তেমন খুশির খবর নেই বিজেপির জন্য। এই আসনগুলিরও অধিকাংশ জিতেছে বিজেপির (BJP) জোটসঙ্গীরা।
[আরও পড়ুন: শতাংশের হারে ভোটপ্রাপ্তি ঊর্ধ্বমুখী, উপনির্বাচনের ফলে আশার আলো বাম শিবিরে]
উপনির্বাচনের এই ফলাফলকে হাতিয়ার করেই জাগো বাংলায় তৃণমূলের (TMC) আক্রমণ, “চার কেন্দ্রে তৃণমূলের জয় নিয়ে সংশয় ছিল না। দেখার বিষয় ছিল একটাই, জয়ের ব্যবধান। আর সেই ব্যবধানই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল বিজেপির শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। তিন কেন্দ্রে বিজেপির জামানত বাজেয়াপ্ত করা আসলে একটা প্রতীক মাত্র।” শুধু তাই নয়, তৃণমূলের বক্তব্য, সিপিএম (CPIM) এবং কংগ্রেসের প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হওয়া প্রমাণ করে বিজেপিকে আটকাতে পারে একমাত্র তৃণমূলই।
[আরও পড়ুন: ৯ নভেম্বর বিধানসভায় নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ, ফের জটিলতার আশঙ্কা]
উপনির্বাচনে তুলনামূলক ভাল ফল করলেও এদিন ফের কংগ্রেসকে তোপ দেগেছে তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের দাবি,”একের পর এক সমঝোতা এবং আন্দোলনবিমুখতা কংগ্রেসকে শক্তিহীন করেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে তৃণমূল বিকল্প শক্তি হয়ে পথ দেখাচ্ছে। একদিকে রাজ্যে রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই। জনবিরোধী বিজেপি সরকার ক্রমশ মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে। রাজস্থান এবং হিমাচল তার উদাহরণ।” তৃণমূল মুখপত্রে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আসল লড়াই ২৪-এ। আর এই লড়াইয়ে দিল্লিতে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee)। ঘটনাচক্রে যে দুই রাজ্যকে বিজেপির ক্ষমতা হারানোর উদাহরণ হিসাবে দেখিয়েছে তৃণমূল, সেই দুই রাজ্যেই জয় পেয়েছে কংগ্রেস।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ‘গোবর্ধন লীলা’র অন্য পাঠ, প্রকৃতিকে ভালোবাসার অনন্য দর্শন
-
অভয়ার ন্যায় চেয়ে তৃণমূল জমানায় সাসপেন্ড! সেই শুভঙ্করকে কাজে ফেরালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
-
হাঁটা নাকি যোগ! ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে কোনটা বেশি জরুরি জানেন
-
শনি-রবি শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল একাধিক লোকাল, তালিকায় কোন কোন ট্রেন?
-
টিআরপিতে বিরাট রদবদল! বেঙ্গল টপার ‘জোয়ার ভাঁটা’, সেরা দশে কোন কোন বাংলা মেগা?