Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Jago Bangla

‘আন্দোলনবিমুখ’ কংগ্রেস শক্তি হারাচ্ছে, বিকল্প মমতাই! ‘জাগো বাংলা’য় ফের তোপ তৃণমূলের

উপনির্বাচনের ফলেই প্রমাণিত বিজেপির শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে, দাবি তৃণমূলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২১, ১৫:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২১, ১৫:১৩

options
link
‘আন্দোলনবিমুখ’ কংগ্রেস শক্তি হারাচ্ছে, বিকল্প মমতাই! ‘জাগো বাংলা’য় ফের তোপ তৃণমূলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা-সহ ১৩ রাজ্যের ২৯টি বিধানসভা এবং ৩টি লোকসভা আসনের উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরই ফের একযোগে বিজেপি এবং কংগ্রেসকে নিশানা করল তৃণমূল (TMC)। এরাজ্যের শাসকদলের দাবি, একের পর এক রাজ্যে শক্তি হারাচ্ছে বিজেপি। এই ফলাফলেই স্পষ্ট বিজেপির শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল বলছে, ক্রমশ বিজেপির সঙ্গে আপস করা এবং আন্দোলনবিমুখতা শক্তিহীন করছে বিরোধী কংগ্রেসকেও। তাই দিল্লিতে বিজেপির বিরোধী হয়ে উঠতে পারে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই (Congress)।

TMC mouthpiece "Jago Bangla' again hits out at  Congress

Advertisement

গতকালই ১৩ রাজ্যের ২৯টি বিধানসভা এবং ৩টি লোকসভা আসনের উপনির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। উপনির্বাচনের ফলাফল বিজেপির জন্য ছোটখাট হলেও ধাক্কা। কারণ, বাংলায় ৪ আসনের মধ্যে ৩ আসনে তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। হিমাচলে ৩টি বিধানসভা আসন এবং ১টি লোকসভা আসনের সবক’টিই তারা হেরেছে। রাজস্থানের দু’টি আসনে দ্বিতীয় স্থানটিও ধরে রাখতে পারেনি গেরুয়া শিবির। কর্ণাটকেও কংগ্রেসের কাছে একটি আসন খোয়াতে হয়েছে বিজেপিকে। মধ্যপ্রদেশের লোকসভা কেন্দ্রটি জিতলেও ভোটের ব্যবধান অনেকটা কমেছে। দাদরা নগর হাভেলি আসনটিও শিব সেনার কাছে খুইয়েছে গেরুয়া শিবির। সব মিলিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের দুই রাজ্য এবং বিহার ছাড়া তেমন খুশির খবর নেই বিজেপির জন্য। এই আসনগুলিরও অধিকাংশ জিতেছে বিজেপির (BJP) জোটসঙ্গীরা।

[আরও পড়ুন: শতাংশের হারে ভোটপ্রাপ্তি ঊর্ধ্বমুখী, উপনির্বাচনের ফলে আশার আলো বাম শিবিরে]

উপনির্বাচনের এই ফলাফলকে হাতিয়ার করেই জাগো বাংলায় তৃণমূলের (TMC) আক্রমণ, “চার কেন্দ্রে তৃণমূলের জয় নিয়ে সংশয় ছিল না। দেখার বিষয় ছিল একটাই, জয়ের ব্যবধান। আর সেই ব্যবধানই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল বিজেপির শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। তিন কেন্দ্রে বিজেপির জামানত বাজেয়াপ্ত করা আসলে একটা প্রতীক মাত্র।” শুধু তাই নয়, তৃণমূলের বক্তব্য, সিপিএম (CPIM) এবং কংগ্রেসের প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হওয়া প্রমাণ করে বিজেপিকে আটকাতে পারে একমাত্র তৃণমূলই।

[আরও পড়ুন: ৯ নভেম্বর বিধানসভায় নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ, ফের জটিলতার আশঙ্কা]

উপনির্বাচনে তুলনামূলক ভাল ফল করলেও এদিন ফের কংগ্রেসকে তোপ দেগেছে তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের দাবি,”একের পর এক সমঝোতা এবং আন্দোলনবিমুখতা কংগ্রেসকে শক্তিহীন করেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে তৃণমূল বিকল্প শক্তি হয়ে পথ দেখাচ্ছে। একদিকে রাজ্যে রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি এবং সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই। জনবিরোধী বিজেপি সরকার ক্রমশ মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে। রাজস্থান এবং হিমাচল তার উদাহরণ।” তৃণমূল মুখপত্রে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আসল লড়াই ২৪-এ। আর এই লড়াইয়ে দিল্লিতে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee)। ঘটনাচক্রে যে দুই রাজ্যকে বিজেপির ক্ষমতা হারানোর উদাহরণ হিসাবে দেখিয়েছে তৃণমূল, সেই দুই রাজ্যেই জয় পেয়েছে কংগ্রেস।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.