Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Jagdeep Dhankhar

‘রাজ্যপালের কুনাট্য’, ধনকড়ের ভূমিকা নিয়ে ‘জাগো বাংলা’য় কড়া সমালোচনা তৃণমূলের

রাজ্যপালের প্রতিটি আক্রমণের জবাব দেওয়া হয়েছে দলীয় মুখপত্র 'জাগো বাংলা'র প্রতিবেদনে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২১, ১৪:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২১, ১৪:৪৮

options
link
‘রাজ্যপালের কুনাট্য’, ধনকড়ের ভূমিকা নিয়ে ‘জাগো বাংলা’য় কড়া সমালোচনা তৃণমূলের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের আবহে এবার রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের ভূমিকা নিয়ে আক্রমণ শানাল শাসকদল তৃণমূলও (TMC)। মঙ্গলবার তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র (Jago Bangla) সম্পাদকীয় পাতায় এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনেই রাজ্যপালের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করল দল। শিরোনামেই স্পষ্ট সেই আক্রমণ – ‘রাজ্যপালের কুনাট্য’। এই মুহূর্তে নিজের সাংবিধানিক এক্তিয়ারের বাইরে বেরিয়ে তিনি যেভাবে নানা বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে, সেসব স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে নিন্দায় মুখর দলীয় মুখপত্র।

Jago Bangla
‘জাগো বাংলা’র ধনকড়ের সমালোচনায় প্রতিবেদন।

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। রবিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকারকে দুষেছেন তিনি। তাঁকে জরুরি তথ্য দেয়নি রাজ্য সরকার, তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করেননি রাজ্যের মুখ্যসচিব বা স্বরাষ্ট্রসচিব – এমনই নানা অভিযোগে সরব হয়েছিলেন ধনকড়। তার মধ্যে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও রাজ্যপালের মন্তব্য ‘অনভিপ্রেত’। আর মঙ্গলবার তৃণমূলের দলীয় মুখপত্রে সেসবেরই জবাব দেওয়া হল। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: হাওড়াকে বাদ দিয়ে বাকি পুরনিগমে ভোট কেন? হাই কোর্টে দায়ের মামলা]

সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে লেখা – ”রাজ্যপাল পদটি সাংবিধানিক এবং সম্মানের। কিন্তু যদি কোনও ব্যক্তি কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করতে গিয়ে পদটির অবমাননা করেন, তাহলে তার প্রতিবাদ করতেই হয়। এই যেমন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর কাজই হল বিজেপিকে অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করে যাওয়া।” পাশাপাশি তাঁর পাহাড় সফর ঘিরেও তৃণমূলের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  আমলে পাহাড় পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে, সেই কারণেই তিনি নিরাপদে পাহাড়ে বেড়াতে যেতে পারছেন। বাম আমল হলে তা হত না। কারণ, সেসময় পাহাড় প্রবল অশান্ত ছিল।

[আরও পড়ুন: মমতার প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয়বার কলকাতার মেয়র পদে শপথ ফিরহাদ হাকিমের]

এরপর তাঁর একাধিক মন্তব্যের সমালোচনা করে বলা হয়েছে, যখন বিজেপি নেতা-বিধায়করা পাহাড়ে আলাদা রাজ্য চেয়ে বাংলা ভাগের পক্ষে আওয়াজ তোলেন, তখন রাজ্যপাল নীরব। তখন তাঁর টুইট আসে না। এরপর প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে – “ধারাবাহিকভাবে এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ চলছে। উনি রাজ্যপাল পদের অযোগ্য। বিজেপির নেতাগিরি করছেন। বঙ্গশত্রু ধনকড়।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.