Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Hathras Nusrat Jahan

‘বিজেপি নেতারা চূড়ান্ত কাপুরুষ’, হাথরাস কাণ্ড নিয়ে ফের তোপ দাগলেন সাংসদ নুসরত

ভিডিও শেয়ার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এবং প্রশাসনকে নির্লজ্জ বলে কটাক্ষ করেছেন মিমি চক্রবর্তীও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২০, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২০, ১৬:২৫

options
link
‘বিজেপি নেতারা চূড়ান্ত কাপুরুষ’, হাথরাস কাণ্ড নিয়ে ফের তোপ দাগলেন সাংসদ নুসরত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ডে (Hathras gang rape) উত্তাল সারা দেশ। ঘরে বাইরে চাপের মুখে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। আন্দোলনের পথে নেমে পড়েছে কংগ্রেস (INC) এবং তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। প্রতিবাদে মুখ খুলেছেন যোগীর দলের নেত্রী উমা ভারতীও (Uma Bharti)। ঘটনার পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) মৌনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন টলিউড অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান (Nusrat Jahan)। এবার বিজেপি নেতাদের ‘কাপুরুষ’ আখ্যা দিলেন বসিরহাটের সাংসদ।

শনিবার টুইটারে ‘বিজেপি হটাও বেটি বাঁচাও’ হ্যাশট্যাগ (#BJPHataoBetiBachao) দিয়ে নুসরত লেখেন, “বিজেপি নেতা মানেই চূড়ান্ত কাপুরুষ! যে সংখ্যক মহিলা এবং দলিতদের নির্যাতন আপনার শাসনকালে হয়েছে, তা আর কতদিন লুকিয়ে রাখবেন নরেন্দ্র মোদিজি? আমরা আমৃত্যু লড়ে যাব।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘চুপ করে না থেকে দলিত ভাই-বোনদের জন্য মুখ খুলুন’, শাহরুখকে পরামর্শ অভিনেত্রীর]

গত ১৪ সেপ্টেম্বর হাথরাসে গণধর্ষণের মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। মা ও ভাইয়ের সঙ্গে মাঠে ফসল তুলতে গিয়েছিলেন দলিত তরুণী। অভিযোগ, চার-পাঁচ জন উচ্চবর্ণের ব্যক্তি তাঁকে লাগাতার ধর্ষণ করে। জিভ কেটে নেয়। অত্যাচারের চোটে তাঁর শিড়দাঁড়ার হাড় ভেঙে যায়। তারপরও রেহাই মেলেনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়। পরে পরিস্থিতির অবনতি হলে দিল্লির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। টানা দুই সপ্তাহের লড়াইয়ের পর তাঁর মৃত্যু হয়।

তরুণীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনরা বিচারের দাবিতে সরব হন। এরই মাঝে রাতের অন্ধকারে ক্ষেতের মাঝে যুবতীর দেহ পুড়িয়ে দেয় যোগী প্রশাসনের পুলিশ। ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই উত্তাল হয় গোটা দেশ। রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর (Priyanka Gandi) পাশাপাশি প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে নিগ্রহের শিকার হন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনও (Derek O’Brien)। এরই প্রতিবাদে আজ শহরের রাস্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল। ডেরেকের হেনস্তার ভিডিও শেয়ার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এবং প্রশাসনকে নির্লজ্জ বলে কটাক্ষ করেছেন মিমি চক্রবর্তীও (Mimi Chakraborty)। 

[আরও পড়ুন: খারিজ খুনের তত্ত্ব, সুশান্ত আত্মহত্যাই করেছিলেন! জানিয়ে দিল এইমসের ফরেনসিক টিম]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.