Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Station

পুজোর মরশুমে হাওড়া-শিয়ালদহ স্টেশনে দালাল দৌরাত্ম্য, চক্রে জড়িত রেলকর্মীদের একাংশ!

টিকিট কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন যাত্রীদের অনেকেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০২১, ১১:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০২১, ১১:৫০

options
link
পুজোর মরশুমে হাওড়া-শিয়ালদহ স্টেশনে দালাল দৌরাত্ম্য, চক্রে জড়িত রেলকর্মীদের একাংশ! zoom

সুব্রত বিশ্বাস: পুজোর মরশুমে স্টেশন চত্বরে বাড়ছে দালালদের দৌরাত্ম্য। আর টিকিট কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন যাত্রীদের অনেকেই। একইভাবে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডেও দালালদের দাপট অব্যাহত। তাই যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে এবার কড়া পদক্ষেপ করল রেল।

[আরও পড়ুন: WB Bypolls: চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় জোর, পুজোর মধ্যেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী]

পুজোর সময় দালালদের দাপট রুখতে আরপিএফ, জিআরপি, ট্রাফিক বিভাগকে একযোগে তৈরি থাকার নির্দেশ দিয়েছে রেল। প্রতিবারই পুজোর সময় স্টেশন চত্বরে দালালদের দৌরাত্ম্য অত্যন্ত বেড়ে যায়। ট্যাক্সি থকে শুরু করে টিকিট দালালরা হাওড়া, শিয়ালদহে এতটাই সক্রিয় যে তাদের জন্য যাত্রীরা নাকাল হচ্ছেন রোজই। যাত্রীদের অনেকেই টুইট করে রেলের কাছে এই অভিযোগ এনেছেন। শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং বলেন, যাত্রীদের সুরক্ষায় সব ব্যবস্থা নেবে রেল।

Advertisement

হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনে দূরপাল্লার ট্রেন আসার পরই যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে টাক্সির দালালদের খপ্পরে। যাত্রীদের অভিযোগ, হাওড়া ১০, ১১ নম্বর গেট ও শিয়ালদহের মেন গেটে যাত্রীদের ঘিরে ধরে দালালরা। তারা এমনভাবে চেন তৈরি করে যা ভেদ করে যাত্রীরা পৌঁছতে পারেন না প্রিপেইড ট্যাক্সি বুথে। তাদের বাধ্য করা হয় বেশি পয়সায় ট্যাক্সি বা প্রাইভেট গাড়িতে উঠতে। অভিযোগ, শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে গাছের তলায় কিছু দালাল অপেক্ষায় থাকে। তারা ট্যাক্সি ঠিক করে দিলেও ২০ টাকা করে উপঢৌকন দিতে হয়। দুই স্টেশনের ট্রাফিক বিভাগ এই অব্যবস্থা পুজোর সময় রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে। সাদা পোশাকে নজরদারির পাশাপাশি নন কমার্শিয়াল গাড়িকে আটক করা হবে।

গাড়ি দালালদের পাশাপাশি রেলের টিকিট দালালরা অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইদানিং বলে যাত্রীরা অভিযোগ তুলেছেন। পুজোর সময় টিকিট না পেয়ে অনেকেই তৎকালের টিকিট কাটতে গিয়ে হতাশ হচ্ছেন। দালালদের হাতে চলে যাচ্ছে টিকিট। এমনকী যাত্রীদের হাতে বেনামি টিকিট তুলে দেওয়া হচ্ছে মোটা টাকার বিনিময়ে। সাধারণ টিকিট দিয়ে অনেককেই ট্রেনে তুলে দেওয়া হচ্ছে টিটিইদের সহযোগিতায়। পরে ট্রেনে জায়গা না পাওয়ায় অনেকেই রেলের ঘরে অন লাইনে অভিযোগও আনছেন। আরপিএফের এক সহকারি সিকিউরিটি কমিশনারের মতে, সর্ষের ভিতরেই ভুত রয়েছে। এই ধরণের চক্রের সঙ্গে বহু রেলকর্মীর যোগ রয়েছে। তবে অনেক সময় বিভিন্ন পদ্ধতিতে রেড হয়। ধরা পড়ে। পুজোর সময় হবে। তবে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয় বলে তিনি স্বীকার করে নেন।

এদিকে শিয়ালদহ মেন বুকিং সম্পর্কে যাত্রীদের অভিযোগ, তিন মহিলা ও এক পুরুষ দালাল রয়েছে, যারা ভিড়ের সুযোগে যাত্রীদের আগে টিকিট কেটে দেওয়ার জন্য বাড়তি পাঁচ টাকা করে নিচ্ছেন। কাউন্টার কম থাকায় এই দালালদের কারবার রমরমা। যাত্রীদের অভিযোগ, এই দালালরা সরাসরি কাউন্টারে ঢুকে টিকিট কাটছে। এতে বুকিংবাবুদের জড়িত থাকার বিষয়টিও স্পষ্ট বলে অভিযোগ। শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং এই দালালদের ধরার জন্য সব ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: গাড়িতে লেখা ‘মহামন্ত্রী, বিজেপি’, তোলা আদায় করতে এসে গুলি–বন্দুক সমেত পুলিশের জালে ৫]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.