BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে বইমেলায় ২০০টি অতিরিক্ত বাস, চওড়া হচ্ছে গেট

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 28, 2018 4:03 am|    Updated: January 28, 2018 4:03 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: পরপর ৩ বার বদলে গেল বইমেলার স্থান, তবু বইমেলা নিয়ে বইপ্রেমীদের মধ্যে  উৎসাহের অভাব নেই।তাই শহর জুড়ে ছড়িয়ে থাকা বইপ্রেমীদের উৎসাহকে আরও কিছুটা বাড়িয়ে দিতে এবার রাজ্যের পরিবহণ দপ্তর এবং রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর মিলিতভাবে নিল দুটি নয়া উদ্যোগ।

প্রথমত, যুব বিশ্বকাপে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্টেডিয়ামে সরাসরি দর্শকদের নিয়ে যাওয়ার জন্য যেমন বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করেছিল পরিবহণ দপ্তর, এবারও তেমনই  সেন্ট্রাল পার্কে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় সাধারণ মানুষকে  পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাখা হচ্ছে বিশেষ বাস। বইমেলার দিনগুলোয় পরিবহণ দপ্তরের তরফে অতিরিক্ত ২০০টি সরকারি এসি, নন-এসি বাস চালানো হবে বলে জানান রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  বইমেলা শুরু হবে ৩০ জানুয়ারি, চলবে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মিলনমেলা থেকে সেন্ট্রাল পার্কে মেলার স্থান পরিবর্তনে বইপ্রেমীদের আগ্রহে যেন কোনও ভাটা না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এই বিশেষ পরিকল্পনা। মেলাপ্রাঙ্গণে যাওয়ার জন্য রাখা হচ্ছে বিশেষ শাটল বাস পরিষেবাও। শনিবার রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করে বলেছেন, বইমেলায় যেতে সাধারণ মানুষের যেন কোনও সমস্যা না হয় তার ব্যবস্থা করতে। পর্যাপ্ত বাসের বন্দোবস্ত রাখতে। তাঁর নির্দেশমতোই বইমেলা উপলক্ষে রোজ ২০০টি করে অতিরিক্ত বাস চালানো হবে। শনি ও রবিবার সেই সংখ্যা আরও বাড়বে। এসপ্ল্যানেড, হাওড়া, দমদম, জোকা, গড়িয়া, শোভাবাজার, বেহালা, বালিহল্ট, ডানলপ, শিয়ালদহ স্টেশন–সহ শহরের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় থেকে বাস ছাড়বে।”

[এবার অ্যাপেই মিলবে বইমেলার স্টলের হদিশ]

দ্বিতীয়ত, এবছর রয়েছে বইমেলায় ভিড় বাড়ার ইঙ্গিত। তাই ভেঙে চওড়া করা হল প্রবেশ তোরণ। শনিবার পুলিশের পক্ষ থেকে বইমেলা কর্তৃপক্ষকে এই পরামর্শ দেওয়া হল। এদিন মেলাপ্রাঙ্গণ পরিদর্শনে আসে গিল্ড। সভাপতি সুধাংশুশেখর দে জানিয়েছেন, প্রতিবছর বইমেলায় ভিড় উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবার দৈনিক ২ লক্ষ মানুষের সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে।  অতিরিক্ত ভিড়ের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখতে চাইছে বিধাননগর কমিশনারেট। এদিন মেলা মাঠ ঘুরে দেখেন তিন ডেপুটি কমিশনার। পরিদর্শনের সময়ই মূল গেটের নকশা পরিবর্তনের পরামর্শ দেন। তাঁদের যুক্তি, ভিড়ের চাপ সামলাতে গেট চওড়া করা প্রয়োজন। তাই নকশা বদলে আরও বাড়ানো হচ্ছে প্রবেশ পথ। প্রসঙ্গত এবার বইমেলায় প্রবেশ ও নিষ্ক্রমণের জন্য ৯টি গেট করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। থাকবেন মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যরাও। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে মেলা প্রাঙ্গণে আসেন ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি টিমের সদস্যরাও। তাঁরা মাঠ পরিদর্শন করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, অপ্রীতিকর ঘটনা আটকাতে বইমেলার সঙ্গে জড়িত প্রতিটি ব্যক্তির জন্য পরিচয় পত্র তৈরি করা হবে। এমনকী চা-কফি সরবরাহকারী থেকে সাফাইকর্মীদের জন্যও আলাদা পরিচয়পত্র থাকবে।

[সেজে উঠছে সেন্ট্রাল পার্ক কমপ্লেক্স, বইমেলার থিম কান্ট্রি এবারও ফ্রান্স]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement