Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬

রামনবমীর পর এবার ঘটা করে রাজ্যে জন্মাষ্টমী পালনের সিদ্ধান্ত গেরুয়া শিবিরের

মেরুকরণের অভিযোগে একযোগে কটাক্ষ বাম-কংগ্রেস-তৃণমূলের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৮, ১৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৮, ১৩:৩৮

options
link
রামনবমীর পর এবার ঘটা করে রাজ্যে জন্মাষ্টমী পালনের সিদ্ধান্ত গেরুয়া শিবিরের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  রামনবমী নিয়ে বিস্তর জলঘোলার পর এবার গেরুয়া শিবিরের নতুন অস্ত্র শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী। আগামী ২ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে এবার পথে নামার সিদ্ধান্ত নিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বিজেপি। এরাজ্যে যা নজিরবিহীন।  রামনবমী উপলক্ষে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ছোট বড় শোভাযাত্রার আয়োজন করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। যাতে বেশ লাভই হয়েছিল গেরুয়া শিবিরের। এবারে জন্মাষ্টমীতেও সংগঠন ঝালিয়ে নেওয়ার কাজটা সেরে ফেলতে চাইছে বিজেপি, এমনটাই খবর বিজেপি সূত্রে।

[যাদবপুরে জট কাটাতে কর্মসমিতির বৈঠক ডাকলেন উপাচার্য]

মূল কর্মসূচি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সূত্রে খবর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গোটা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছোট-বড় ৭০০টি শোভাযাত্রা বের করতে চলেছে তারা। এর মধ্যে অন্তত ২০ টি মেগা ব়্যালির প্রস্তুতি শুরু করেছে ভিএইচপি। জন্মাষ্টমী আয়োজনের মূল দায়িত্ব থাকছে ভিএইচপি-র যুব সংগঠন তথা সিআইএ-র খাতায় উগ্রপন্থী হিসেবে নথিভুক্ত সংগঠন বজরং দল। সভার নিরাপত্তার দায়িত্বেও থাকছে বজরং দলের উপরই। তবে, নিরাপত্তায় তাদের সাহায্য করবে ভিএইচপির মহিলা সংগঠন দুর্গা বাহিনী। প্রতিটি সভায় অন্তত ১৪-২১ জন করে দুর্গাবাহিনীর স্বেচ্ছাসেবীরা থাকবেন নিরাপত্তার দায়িত্বে। ইতিমধ্যেই তাদের প্রশিক্ষণও শুরু হয়ে গিয়েছে ব্যান্ডেলে। প্রশ্ন উঠছে এরাজ্যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যা সাংগঠনিক কাঠামো তাতে কি বিজেপির সাহায্য ছাড়া তাদের একার পক্ষে এত বড় আয়োজন সম্ভব? বিজেপির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মসূচিতে শামিল হবে গেরুয়া শিবির। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, সরকারের অনুমতি না পেলেও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মসূচিতে শামিল হবে বিজেপি। প্রশাসন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে রুখে দাঁড়ানো হবে বলেও জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

Advertisement

[গোপনাঙ্গে লুকিয়ে নিষিদ্ধ মাদক পাচারের চেষ্টা, বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার নাইজেরিয় মহিলা]

এদিকে, বিজেপি তথা ভিএইচপির এই উদ্যোগকে ধর্মীয় মেরুকরণের চেষ্টা হিসেবেই দেখছে বাম-কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর দাবি, রাজ্যে মেরুকরণের চেষ্টা চলছে। এরপর এই খেলায় তৃণমূলও নামবে বলে কটাক্ষ করেন অধীর। এদিকে, বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীও একই সুরে কথা বললেন। তিনি বললেন, ধর্মের নামে রাজ্যের মানুষকে ভাগ করার চেষ্টা করছে বিজেপি-তৃণমূল। এদিকে, বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পালটা দিয়েছেন, তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। পার্থবাবু বলেন, “আগে যারা তরোয়াল ধরেছেন তারাই এখন বাঁশি বাজাবেন।” এসব করে বাংলার মানুষের মন পাওয়া যাবে না বলেও মনে করেন পার্থবাবু। এর আগে রামনবমীতে একাধিক জায়গায় অস্ত্র মিছিলে শামিল হয় বিজেপি। রামনবমী নিয়ে পরবর্তীকালে রীতিমতো হিংসার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। জন্মাষ্টমীতেও সেই একই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.