BREAKING NEWS

২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

রাজ্যপালের বৈঠকে না গিয়ে টিএমসিপির ধরনা মঞ্চে ৩ উপাচার্য, বিতর্ক শিক্ষা মহলে

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: January 14, 2020 6:39 pm|    Updated: January 14, 2020 6:39 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যপালের ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিত। অথচ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধরনা মঞ্চে হাজির রাজ্যের তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। যা নিয়ে জোর বিতর্ক শিক্ষা মহলে। মঙ্গলবার ধর্মতলার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধরনা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তাঁরা। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেই টিএমসিপির ধরনা মঞ্চে যান পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, সিধু-কানহু বিশ্ববিদ্যালয় ও উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা। তাঁদের সঙ্গে দেখা যায় বর্ধমান জেলা শিক্ষা আধিকারিককেও। যা নিয়ে জোর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

TMCP-Mamata
সোমবার টিএমসিপির ধরনা মঞ্চে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী

উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই রাজভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বৈঠক ডেকেছিলেন আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়(Jagdeep Dhankhar) । কিন্তু, তাঁর ডাকা বৈঠকে রাজ্যের একজন উপাচার্যও হাজির হননি। তাঁদের যুক্তি ছিল, রাজ্যপালের চিঠি প্রোটোকল মেনে পাঠানো হয়নি। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া বিধি অনুযায়ী, উপাচার্যদের রাজ্যপাল তলব করতেই পারেন। কিন্তু, সেই চিঠি পাঠাতে হবে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের মাধ্যমে। উপাচার্যদের অভিযোগ, তাঁরা যে চিঠি পেয়েছেন, সেটি শিক্ষা দপ্তরের মাধ্যমে আসেনি। সেই অজুহাতেই বৈঠক বয়কট করেছেন উপাচার্যরা। এখানেই ক্ষান্ত হননি তাঁরা। রাজ্যের তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা আবার হাজির হয়েছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধরনা মঞ্চে। যেটা কিনা রাজনৈতিক মঞ্চ। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যপালের ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে না গিয়ে রাজনৈতিক মঞ্চে কী করে গেলেন উপাচার্যরা?

[আরও পড়ুন: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মুখ খুললেন নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন]

অপরদিকে, রাজ্যে এই প্রথমবার উপাচার্যদের একটি আলাদা সংগঠন তৈরি হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে সভাপতি করে উপাচার্য পরিষদ নামের ওই সংগঠন তৈরি করা হয়েছে। সম্পাদক হয়েছেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সুবীরেশ ভট্টাচার্য। নতুন সংগঠনের সদস্যরা ইতিমধ্যেই রাজ্যপালকে তোপ দেগেছেন। এই আচরণে রীতিমতো ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য জগদীপ ধনকড়। তিনি বলছেন, রাজ্য সরকারের ইঙ্গিতে কাজ করছেন উপাচার্যরা। রাজ্যকে ভয় পাচ্ছেন তাঁরা। এদিকে, তৃণমূলের তরফে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যপালের ডাকা বৈঠক সম্পর্কে বলতে গিয়ে তাঁকে ‘বিবৃতি পাল’ বলে কটাক্ষ করেছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement