Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
WB By-Election

অনুব্রতর বুলি এবার বিরোধী শিবিরেও! শেষবেলার প্রচারে সজল ঘোষের গলায় ‘চড়াম চড়াম’

১ জুন লোকসভা ভোটের শেষদফার পাশাপাশি বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৪, ১৮:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৪, ১৮:৫৬

options
link
অনুব্রতর বুলি এবার বিরোধী শিবিরেও! শেষবেলার প্রচারে সজল ঘোষের গলায় ‘চড়াম চড়াম’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চব্বিশের লোকসভা ভোটের শেষ প্রচার ঘিরে সুর সপ্তমে সব শিবিরেই। শেষের কয়েকঘণ্টা সময়টুকু ভোট প্রচারে উজাড় করে দিতে কসুর করছেন না কেউ। বৃহস্পতিবার সেই প্রচারেই বিরোধী শিবিরে শোনা গেল অনুব্রত মণ্ডলের কথা! ‘চড়াম চড়াম’, ‘গুড় বাতাসা’র কথা বললেন বরানগর বিধানসভা উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, ”চড়াম চড়াম, গুড় বাতাসা, নকুলদানা কোনওটাই আমি দেব না। দেবে তো মানুষ।”

আগামী ১ জুন, দেশের শেষ দফা লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রেও উপনির্বাচন (WB By-Election)। তারও শেষ প্রচার হয়ে গেল বৃহস্পতিবার। এই কেন্দ্রের মূল তিন প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির (BJP) সজল ঘোষ এবং সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার বরানগর এলাকায় সজল ঘোষের (Sajal Ghosh) হয়ে শেষবেলার প্রচার সারেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আর তাঁকে পাশে নিয়েই বিজেপি প্রার্থীর দাবি, ”নির্বাচনে যেটা দিতে হবে, সেটাই দেব ওদের। আমি চাই নির্বাচন হোক অবাধ ও শান্তিপূর্ণ। চড়াম চড়াম, গুড় বাতাসা, নকুলদানা কোনওটাই আমি দেব না ভাই। আমি তাঁদের দলের সঙ্গে থাকব। চড়াম চড়াম তো দেবে মানুষ।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: পুঞ্চ হাইওয়ে থেকে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী বাস, কাশ্মীরের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত কমপক্ষে ১৫]

উল্লেখ্য, ভোট আবহে এসব বিশেষণের ‘স্রষ্টা’ বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। বঙ্গ রাজনীতিতে কথিত, তিনিই একসময়ে ‘চড়াম চড়াম’, ‘গুড়বাতাসা’ দিয়ে ভোটে বিরোধীদের ধমকাতেন-চমকাতেন। সেই থেকে ভোটের সময় এসব কথা প্রায়শয়ই শোনা যায় ঘাসফুল শিবিরের নেতা, প্রার্থীদের গলায়। কিন্তু এবার সেই একই বুলি আওড়ালেন বিজেপি প্রার্থী! তবে প্রয়োগ করলেন অন্যভাবে। সে যাই হোক, সজল ঘোষের গলায় অনুব্রতর ‘ভোট বাণী’ শুনে কিন্তু তাজ্জব অনেকেই।

[আরও পড়ুন: ভোটগণনায় কড়া নজরদারির সিদ্ধান্ত, বাংলায় আসছে ১৩৮ জন পর্যবেক্ষক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.