শুভঙ্কর বসু: প্রধান শিক্ষক হওয়ার জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন। প্রথম ধাপের বাছাই পর্বে উত্তীর্ণও হয়েছিলেন। যার সুবাদে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসার ছাড়পত্র মিলেছিল। কিন্তু বছর তিনেক পেরিয়ে গেলেও প্রধান শিক্ষক হয়ে ওঠা হল না। অবশেষে বাধ্য হয়েই কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র কুইলা।
ঘটনাটি ঠিক কী? ২০১৭ সালে ‘প্রথম স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্ট’-এ উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০১৯-এর ২১ আগস্ট তাঁকে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক (Head Master) পদে নিয়োগের সুপারিশপত্র পাঠান স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) চেয়ারম্যান। বাস্তবে দেখা যায় চিঠিতে যে স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদে কমিশনের চেয়ারম্যান তাঁর নাম সুপারিশ করেন, সেই স্কুলেরই কোনও অস্তিত্ব নেই! কমিশনের তরফে চিঠিতে গোপালবাবুকে জানানো হয়, ঝাড়গ্রামের মুরার আশুমুরার আশুতোষ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে। স্কুলটি বিনপুর ১ নম্বর ব্লকের রামগড়ে। গোপালবাবু ওই এলাকা তন্নতন্ন করে খুঁজলেও ‘মুরার আশুমুরার আশুতোষ উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে কোনও স্কুল খুঁজে পাননি। বাধ্য হয়ে তিনি ফের কমিশনের দ্বারস্থ হন।
[আরও পড়ুন: সাতসকালে বেহালার প্লাস্টিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা]
একাধিকবার কমিশনের নজরে আনা সত্ত্বেও তারা কোনও ব্যাখ্যা বা সদুত্তর দিতে পারেনি বলেই জানান গোপালবাবু। অবশেষে বাধ্য হয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর এজলাসে মামলার শুনানিতে বিষয়টি উত্থাপন করে ব্যাখ্যা তলব করেন গোপালবাবুর আইনজীবী উষা মাইতি। বিচারপতি চক্রবর্তী নির্দেশ দেন, আদৌ ওই নামের কোনও স্কুল রয়েছে কি না জানাতে হবে কমিশনকে। যদি কোনও স্কুল থেকেও থাকে তাহলে সেখানে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে কি না তাও রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে। ১৮ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি।
[আরও পড়ুন: কলকাতায় আত্মঘাতী পানশালায় কর্মরত যুবতী, দেনার দায় নাকি অন্য কারণ, ঘনাচ্ছে রহস্য]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার পাশ থেকে সরলেন ‘শহিদ জননী’ ফিরোজাও! ‘ঘরের ছেলে’ শুভেন্দুর সঙ্গে থাকার বার্তা
-
বিরাটের পর রোহিত! আফগানিস্তান সিরিজ থেকে কার্যত ছিটকে গেলেন হিটম্যান, নেপথ্যে গম্ভীর?
-
আরও সুগম হবে লাদাখ! ফোটু লা পাসে তৈরি হচ্ছে নতুন সুড়ঙ্গ, ৮২৪ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের
-
দুই পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে ট্রেকিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ! উত্তর কাশীর এমবিএ পড়ুয়ার নিরুদ্দেশ ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ