কৃষ্ণকুমার দাস: কলকাতার (Kolkata) হরিদেবপুরে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় সাসপেন্ড করা হল বিদ্যুৎ পর্ষদের স্টেশন ম্যানেজারকে। সতর্ক করা হয়েছে RM ও DM-কেও। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এই সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত বলেই খবর।
নিম্নচাপ ও বর্ষার জোড়া ফলায় গত এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টিতে ভিজছে বাংলা। জলমগ্ন কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য। সেই জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গত বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় হরিদেবপুরের (Haridevput) বাসিন্দা পেশায় গাড়ি চালক মানিক বাড়ুইয়ের। জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় আরও একজনের। কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে পরপর দু’টি মৃত্যুতে নড়েচড়ে বসে বিদ্যুৎদপ্তর। হরিদেবপুরের ঘটনায় রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের কর্মীদের শোকজ করেছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Arup Biswas)। রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ৩ কর্মীকে শোকজ করে শনিবার দুপুরের মধ্যেই জবাব চাওয়া হয়। তাঁদের জবাবে সন্তুষ্ট হননি মন্ত্রী। তাই বিকেলে দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে দুটি আলাদা তদন্ত কমিটি তৈরি করেন।
[আরও পড়ুন: বাড়ল উচ্চমাধ্যমিকে মূল্যায়নের নম্বর জমা দেওয়ার মেয়াদ, নয়া নির্দেশ সংসদের]
হরিদেবপুর এলাকা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের আওতায়। তাই সেখানকার নিগমের CMD শান্তনু বসুর নেতৃত্বে রিজিওনাল ম্যানেজার (RO) এবং স্টেশন ম্যানেজারকে (SM) নিয়ে তৈরি করা হয় কমিটি। সেই কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতেই সোমবার সাসপেন্ড করা হয়েছে বিদ্যুৎ পর্ষদের স্টেশন ম্যানেজারকে। উল্লেখ্য, জমা জলে মৃত্যু কলকাতার বুকে এই প্রথম নয়। এর আগেও জমা জলে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বহু।
[আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে পা রেখেই বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল, কার্শিয়াংয়ে কালো পতাকা দেখাল তৃণমূল]
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর