Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Congress Manifesto

অর্থ বিলোনো নয়! ‘নতুন বিকল্প’ কংগ্রেসের ইস্তাহারে, বিজেপির পাশে বসিয়ে তৃণমূলকেও নিশানা খাড়গের

তৃণমূল আর বিজেপি একই মুদ্রার দুই পিঠ! ইন্ডিয়া জোটের ঐক্য ভুলে বাংলায় এসে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২৬, ১৯:০৭

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২৬, ১৯:০৭

options
link
অর্থ বিলোনো নয়! ‘নতুন বিকল্প’ কংগ্রেসের ইস্তাহারে, বিজেপির পাশে বসিয়ে তৃণমূলকেও নিশানা খাড়গের zoom
কংগ্রেসের ইস্তেহার প্রকাশের মঞ্চে মল্লিকার্জুন খাড়গে। নিজস্ব চিত্র।

তৃণমূল আর বিজেপি একই মুদ্রার দুই পিঠ! ইন্ডিয়া জোটের ঐক্য ভুলে বাংলায় এসে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বাংলার নির্বাচনের জন্য ইস্তেহার প্রকাশ করে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বললেন, “বাংলায় আমরা নতুন বিকল্প দিতে চাই। আমাদের ইস্তেহার অর্থ বিলোনোর কথা বলে না। রিবিল্ড এবং রিফর্মের কথা বলে।”

২০ বছর বাদে রাজ্যে একার শক্তিতে লড়াই করছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য, এটা বঙ্গবাসীর কাছে নতুন সুযোগ, চটকদারির রাজনীতি ছেড়ে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থিতির লক্ষ্যে এগোনর। খাড়গে এদিন ইস্তেহার প্রকাশ করে বলেন, “তৃণমূলের সরকার এখানে ১৫ বছর ধরে চলছে। কিন্তু এখানে শিল্প, কর্মসংস্থান দরকার। বিজেপি এসব কথা বলে না। ওরা মেরুকরণের কথা বলে। কংগ্রেস বিকল্প নিয়ে আসছে। আমরা সরকারে এলে ১ বছরে শূন্য পদ পূরণ করব।”

Advertisement

রাজের পরিযায়ী সমস্যা তুলে ধরে কংগ্রেস সভাপতি বলছেন, “আগে কেউ শিল্পের কথা বললে কলকাতার কথা বলত। এখন এখানকার যুবকরা মহারাষ্ট্র চেন্নাই হায়দরাবাদ চলে যাচ্ছে। পরিস্থিতি খারাপ। ডিগ্রি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে যুবক-যুবতীরা। এখানকার সরকারের কোনও পরিকল্পনা নেই। বিজেপি তো এসব ভাবে না। শুধু হিন্দু-মুসলিমের দাঙ্গা লাগায়। তাই আমরা তৃতীয় বিকল্প নিয়ে এসেছি, নেহেরুর সংকল্পকে সামনে রেখে।” রাজ্যের দুর্নীতি ইস্যু নিয়েও স্বভাববিরুদ্ধভাবে সরব হলেন খাড়গে। তিনি বলেন, “এখানে দুর্নীতির ছবি সামনে এসেছে। এক মন্ত্রীর ঘর থেকে ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। এবার বাংলাকে রুল অফ ল এর দিকে নিয়ে যেতে হবে।”

তিনি বলেন, “এখানে দুর্নীতির ছবি সামনে এসেছে। এক মন্ত্রীর ঘর থেকে ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। এবার বাংলাকে রুল অফ ল এর দিকে নিয়ে যেতে হবে।”

দলের সর্বভারতীয় মিডিয়া বিভাগের প্রধান জয়রাম রমেশ সুর আরও চড়ালেন। তিনি সাফ বলে গেলেন, “তৃণমূল আর বিজেপি একই মুদ্রার দুই পিঠ। তাই আমাদের নতুন মুদ্রার দরকার। বর্তমান রাস্তা বা বিজেপির রাস্তা না দেখিয়ে কংগ্রেসের রাস্তা তৃতীয় রাস্তা আমরা দেখতে চাই।” বস্তুত এদিন ইন্ডিয়া জোটের ‘শরিক’ তৃণমূলের বিরুদ্ধে বেশ ভালোরকম সুর চড়িয়েছে হাত শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু প্রশ্ন হল, তাহলে ইন্ডিয়া জোটের কী হল। জবাবে জয়রাম রমেশ বললেন, “এটা ইন্ডিয়া ব্লকের বিষয় না। বিভিন্ন রাজ্যে সেখানকার ।মতো লড়াই হয়। যদিও জাতীয় লড়াইয়ে আমরা সবাই এক। কিন্তু রাজ্যের বিষয়ে বর্তমান সরকার যদি ঠিক মতো কাজ না করে তাহলে মানুষ যা চায় সেই অনুযায়ী কাজ হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.