Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
India Bangladesh Border Fencing

লক্ষ্য ‘ঘুসপেটিয়া’ শূন্য বাংলা, সীমান্ত সিল করতে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে নবান্ন থেকে সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন ভূমি দপ্তরের শীর্ষকর্তারা। সেখানেই জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৪:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৪:৫৩

options
link
লক্ষ্য ‘ঘুসপেটিয়া’ শূন্য বাংলা, সীমান্ত সিল করতে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

লক্ষ্য অবিলম্বে বাংলাদেশ সীমান্ত পুরোপুরি সিল করা (India Bangladesh Border Fencing)। বিএসএফ-কে জমি দেওয়ার প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু করে দিল রাজ‌্য সরকার। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে নবান্ন থেকে সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন ভূমি দপ্তরের শীর্ষকর্তারা। সেখানেই জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সূত্রের খবর, তিনভাবে জমি হস্তান্তরের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের যে জমি রয়েছে ভূমি দপ্তর নিয়ে তুলে দেবে বিএসএফ-কে। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি সরকার কিনে হস্তান্তর করবে বিএসএফকে দেবে। এছাড়াও সীমান্তবর্তী এলাকায় বেদখল হয়ে থাকা জমি খালি করে দেওয়া হবে। আইনি জট কাটিয়ে পুরো প্রক্রিয়া কত দ্রুত করা যায়, তা নিয়েও এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে খবর।

Advertisement

আসলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দীর্ঘ এলাকা এখনও অরক্ষিত। কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব হয়নি। গত বছর সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে প্রায় ৮৬৪ কিলোমিটার অরক্ষিত। তৃণমূল সাংসদ দেবের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানায়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০৯৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে শুধু বাংলার সীমান্ত ২২১৬ কিলোমিটার, মেঘালয় সীমান্ত ৪৪৩ কিলোমিটার, অসম সীমান্ত ২৬৩ কিলোমিটার, ত্রিপুরা সীমান্ত ৮৫৬ কিলোমিটার এবং মিজোরামের সীমান্ত ৩১৮ কিলোমিটার। কেন্দ্র স্বীকার করে নিয়েছে এই দীর্ঘ সীমান্ত এলাকার মধ্যে অরক্ষিত অর্থাৎ কাঁটাতার নেই প্রায় ৮৬৪ কিলোমিটার এলাকায়। কেন এই এলাকায় কাঁটাতার লাগানো যায়নি? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দাবি, বাংলার তৎকালীন রাজ্য সরকার সঠিক সময়ে জমি হস্তান্তর না করায় সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি।

রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এই জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো এবার কাজ শুরু করে দিল রাজ্য সরকার। বস্তুত, বঙ্গে বিজেপির ভোটপ্রচারের মূল ইস্যুই ছিল অনুপ্রবেশ। প্রায় প্রতিটি সভায় সীমান্ত সিল করা, অনুপ্রবেশকারীদের বিতড়নের কথা শোনা গিয়েছে অমিত শাহের মুখে। ভোটের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণার পর প্রথম ভাষণেই অমিত শাহ সাফ বলে দেন, যে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে বাংলায় তাঁরা ক্ষমতায় এসেছেন, সেই সোনার বাংলায় অনুপ্রবেশকারীদের কোনও ঠাঁই নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, “বাংলার মানুষকে আমি কথা দিচ্ছি আগামী পাঁচ বছরে দেশ থেকে খুঁজে বের করে করে তাড়াব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.