৬ ফাল্গুন  ১৪২৬  বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে বাকযুদ্ধে শামিল রাজ্য সরকার। ‘রাজ্যপালের স্ত্রী কেন সরকারি বৈঠকেও থাকেন’, সেই প্রশ্ন তুলে এবার ধনকড়ের স্ত্রীকে আক্রমণ করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পালটা এই মন্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেই দাবি রাজ্যপালের।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে সংঘাত লেগেই রয়েছে। আচমকাই উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে অশান্তির সূত্রপাত। তারপর একের এক ইস্যুতে প্রকট হয়েছে মতানৈক্য। এই পরিস্থিতিতেই গত ১৫ জানুয়ারি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কেন বারবার শিক্ষাক্ষেত্রকেই টার্গেট করছেন রাজ্যপাল। সেই প্রশ্ন তুলে গত ১৫ জানুয়ারি রাজ্যপালকে জোরাল ভাষায় আক্রমণ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। সরকার চালাতে গেলে কোথাও না কোথাও অসুবিধা হয়। বারবার তাঁর দপ্তর নিয়ে মাথা ঘামানোয় বোঝা যাচ্ছে তিনি ঠিক কী চান। তিনি শিক্ষাদপ্তরের চ্যান্সেলর হবেন তা মানা যায়?”

[আরও পড়ুন: অবস্থানে অনড়, বিতর্ক উসকে ফের গুলি চালানোর নিদান দিলীপের]

সরকারি অনুষ্ঠান হোক কিংবা কপিলমুনির আশ্রমে পুজো দিতে যাওয়া সর্বত্রই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা যায় তাঁর স্ত্রীকে। এই প্রসঙ্গ তুলেও রাজ্যপালকে আক্রমণ করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যেকোনও অনুষ্ঠানে রাজ্যপালের সঙ্গেই দেখা যায় তাঁর স্ত্রীকে। বৈঠকে কেন থাকবেন রাজ্যপালের স্ত্রী। আমি তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু তাঁর উপস্থিতি নিয়ে কখনও প্রশ্ন করিনি আমরা। আমি পূর্ববর্তী রাজ্যপালদের কখনও এভাবে দেখিনি। উনি আর ওনার স্ত্রী পিআর তৈরি করার জন্য এসেছেন। সংগঠিতভাবে রাজ্যপালকে বোঝাতে হবে। যা করছেন তা ভুল।”

Jagdeep Dhankar

প্রায় তিনদিন পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পালটা সুর চড়ান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। একজন মহিলার সম্পর্কে তাঁর এই মন্তব্য করা অনুচিত। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য সম্পূর্ণ ভুল। তিনি বিকৃতমনস্কতার পরিচয় দিয়েছেন। এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা তাই ওনার বিষয়টি দেখা উচিত।” এই মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

[আরও পড়ুন: বাড়িতে ডেকে জামাইকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে, চাঞ্চল্য বৈদ্যবাটিতে]

রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যপাল এবং রাজ্য সরকারের সম্পর্ক কখন ভাল আর কখন খারাপ তা বোঝা দায়। সম্প্রতি বিলের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্যপালে ক্ষমতা খর্বের ঘটনায় যেন দু’পক্ষের বাকযুদ্ধ আরও চরম আকার নিয়েছে। সংঘাতের তালিকাতেই এবার যুক্ত হল পার্থ চট্টোপাধ্যায় ব্যক্তিগত আক্রমণ।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং