Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Kolkata

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অবাধ যৌনতা! ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল, শহরে পুলিশের জালে ‘লাস্যময়ী’

তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত ধর্ষণ এবং যৌন হেনস্তার ১১টি ভুয়ো মামলা দায়ের করার তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ২১:০২

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ২১:০২

options
link
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অবাধ যৌনতা! ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল, শহরে পুলিশের জালে ‘লাস্যময়ী’ zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

দিনের পর দিন ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তোলাবাজি! ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করল কলকাতার পঞ্চসায়র থানার পুলিশ।শহরের এক চিকিৎসককে একইভাবে ফাঁসাতে গিয়ে প্রকাশ্যে এসে যায় মহিলার কেলেঙ্কারি। রোগী জোগার করে দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে ওই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ। এরপর বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে ওই মহিলা টাকা হাতানোর চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ। এরপরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই চিকিৎসক। তদন্তে নেমে অভিযুক্ত ওই মহিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই ঘটনা নতুন নয়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো নাকিও মামলা রয়েছে বলে খবর। সেগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত ধর্ষণ এবং যৌন হেনস্তার ১১টি ভুয়ো মামলা দায়ের করার তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

বছর ৩১ এর ওই মহিলা সন্তোষপুর ইস্ট রোডের বাসিন্দা। পঞ্চসায়র থানার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, গত ৯ এপ্রিল আদালতের নির্দেশে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৭৫(৩) ধারায় একটি মামলা রুজু হয়। অভিযোগ, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি অভিযোগকারীর স্বামীকে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করছেন। বারবার হুমকিও দিচ্ছিলেন। গত ৩০ জানুয়ারি ওই চিকিৎসককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। উপায় না দেখে প্রথমে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই চিকিৎসকের স্ত্রী। কিন্তু তদন্তে নেমে পুলিশের চোখ কপালে। চিকিৎসক থেকে অফিসার, ওই মহিলা বিভিন্ন পেশার মানুষকে দিনের পর দিন প্রেমের ফাঁদে ফেলতেন বলে অভিযোগ। কী সেই ফাঁদ? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন পেশার মানুষজনের সঙ্গে প্রথমে বন্ধুত্ব তৈরি করতেন ওই মহিলা। তারপর আস্তে আস্তে বাড়ত ঘনিষ্ঠতা। চলত উপহার আদান-প্রদান। একটু বেশি ঘনিষ্ঠ হয়ে গেলেই নাকি নিজের কাজ শুরু করে দিতেন মহিলা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে তোলা ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি সমাজমাধ্যমে ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হত বলে অভিযোগ। শহরের বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন সময়ে ওই মহিলা ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও লোকলজ্জার ভয়ে কেউ কিছু বলতেন না বলে জানা যায়। একইভাবে ওই চিকিৎসককেও  ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল বলে অভিযোগ চিকিৎসকের স্ত্রীর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্তে নেমে পুলিশ মহিলাকে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগের সঙ্গে ওই মহিলার সরাসরি যোগ থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি পুলিশের। এরপরেই অভিযুক্ত ওই মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাঁকে আলিপুরের এসিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশের দাবি, ধৃত মহিলার বিরুদ্ধে আরও দুটি তোলাবাজির মামলা রয়েছে আগেই। যাঁদের বিরুদ্ধে ওই অভিযুক্ত ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন, তাঁরাই পরে এই মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। অর্থাৎ ব্ল্যাকমেইল করে টাকা তোলার অভিযোগ মহিলার বিরুদ্ধে আগে থেকেই আছে। তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত ধর্ষণ এবং যৌন হেনস্তার ১১টি ভুয়ো মামলা দায়ের করার তথ্য পাওয়া গিয়েছে। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.