Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬
স্কুল পোশাক-স্বনির্ভর গোষ্ঠী

২৩৫ কোটির স্কুলের পোশাক বানিয়ে নজির স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির, পেল নতুন দায়িত্ব

আগামী বর্ষে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির সব  পড়ুয়াকে নিখরচায় ইউনিফর্ম

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ১১:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ১১:৫০

options
link
২৩৫ কোটির স্কুলের পোশাক বানিয়ে নজির স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির, পেল নতুন দায়িত্ব zoom

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য : সস্তায় স্কুলের পোশাক তৈরি করে দেশে নজির গড়েছে রাজ্যের স্বনির্ভর গোষ্ঠী।চলতি বছরের শেষ পর্যায়ে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি ২৩৫.৭২ কোটি টাকার পোশাক তৈরি করেছে। সেইসব পোশাকই কিনেছে স্কুলশিক্ষা দফতর। তথ্য  বলছে, কলকাতা-সহ রাজ্যের ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৮ জন পড়ুয়া রোজ এই পোশাক পরেই স্কুলে যায়। নিখরচায় সেই পোশাক দেওয়া হয় স্কুল পড়ুয়াদের। আগামী আর্থিক বছরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকেই রাজ্যের প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সব পড়ুয়ার স্কুলের পোশাক তৈরির বরাত দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্চায়েত দফতর। এনিয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু হয়েছে।

পঞ্চায়েত দফতরের অধীনে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য আট বছর ধরে চলছে ‘আনন্দধারা’ প্রকল্প। মূল উদ্দেশ্য, গ্রাম-শহরের মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন। গত কয়েক বছর ধরে ছাগল, মুরগি পালন, এমনকী অজৈব সার কৃষিকাজেও যুক্ত করা হয়েছে গ্রামের স্বনির্ভর গোষ্ঠী। জেলার সরকারি দফতরগুলিতেও ছোট  কাউন্টার তৈরি করে সেগুলি বিক্রিরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে চলতি আর্থিক বছরের শুরুতেই স্কুলের পোশাক তৈরির জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের যুক্ত করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : দুর্ঘটনায় হারিয়েছেন পা, ‘দিদিকে বলো’র উদ্যোগে শিক্ষা দপ্তরে চাকরি পেলেন যুবক]

 

পঞ্চায়েতের তথ্য বলছে, স্ব্নির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের নিয়ে প্রথমে একটি সংঘ তৈরি হয়। রাজ্যে এখন ৩,৩০০টি সংঘ রয়েছে। সমবায় সমিতির আইন অনুযায়ী সেগুলি রেজিস্ট্রি করা হয়। একেকটি সংঘে অন্তত তিন হাজার মহিলা সদস্য রয়েছেন। এঁদেরই সরকারি স্কুলগুলির পোশাক তৈরির কাজে যুক্ত করা হয়েছে। পঞ্চায়েত দফতরের এক শীর্ষকর্তার কথায়, জেলার স্কুল শিক্ষা অধিকর্তা গোটা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেন। 

[আরও পড়ুন : আপাতত আন্দোলন প্রত‌্যাহার পার্শ্বশিক্ষকদের, শোকজের জবাব চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী]

কীভাবে এই কাজ হয়? আনন্দধারা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত পঞ্চায়েতের আধিকারিকদের বক্তব্য, শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই স্কুলগুলির কাছে জানতে চাওয়া হয়, কতজন পড়ুয়ার পোশাক দরকার। সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষক জেলা পঞ্চায়েতের কাছে সেই বরাত পাঠান। সেই বরাত পাঠিয়ে দেওয়া হয় আনন্দধারার সংঘগুলিতে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্কুলগুলির চাহিদা অনুযায়ী স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা পোশাক তৈরি করে পাঠিয়ে দেন। দোকান থেকে দামও কম। টেকসই এই পোশাক পেতে বছরভর বরাত দেওয়া হচ্ছে। 

[আরও পড়ুন : ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই মোহনবাগানের, ৩ পয়েন্ট ছাড়া ভাবছেন না প্লাজারা]

পঞ্চায়েতের এক শীর্ষকর্তার কথায়, বর্তমানে রাজ্যের ৮০ লক্ষ মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর আনন্দধারার বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। পরিবারের আর্থিক উন্নতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। ওই আধিকারিকের কথায়, আগামী অর্থবর্ষে রাজ্যের সব সরকারি প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়াদের পোশাক স্ব্নির্ভর গোষ্ঠী থেকে নেওয়া হবে। 

 

 

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.