Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Youth's hanging body recovers from his house in Kolkata

‘পরকীয়ার ভূত’ ছাড়াতে বিবাহিত ছেলেকে নিয়ে থানায় বাবা! বাড়ি ফিরে ‘আত্মঘাতী’ যুবক

নিজের বাড়ি থেকে ওই যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২১, ২২:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২১, ২২:০০

options
link
‘পরকীয়ার ভূত’ ছাড়াতে বিবাহিত ছেলেকে নিয়ে থানায় বাবা! বাড়ি ফিরে ‘আত্মঘাতী’ যুবক zoom
ছবি: প্রতীকী।

অর্ণব আইচ: বিবাহিত ছেলের মাথায় ‘প্রেমের ভূত’। মদ্যপ অবস্থায় এক মহিলাকে বাড়িতে এনে তোলায় তুলকালাম। সহ্য করতে না পেরে অটোয় করে ছেলেকে থানায় নিয়ে যান বাবা। উত্তর কলকাতার (North Kolkata) বড়তলা থানায় বসিয়ে মধ্যরাতে ছেলেকে বোঝান পুলিশ আধিকারিকরা। ফের বাড়িতে এসে ভাঙচুর চালিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয় সে। সোমবার সকালে ঘরের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় যুবকের ঝুলন্ত দেহ। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে রহস্য। প্রাথমিকভাবে পুলিশের মতে, আত্মঘাতী (Suicide) হয়েছেন ওই যুবক।

পুলিশ জানিয়েছে, উত্তর কলকাতার বড়তলা থানা এলাকার উল্টোডাঙা মেন রোডের বাসিন্দা প্রদীপ যাদবের বিয়ে হয়েছে আগেই। কিন্তু মাসকয়েক আগে এক বিবাহিত মহিলার সঙ্গে আলাপ হয় প্রদীপের। দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। রবিবার সন্ধেয় হঠাৎই ওই মহিলাকে নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন প্রদীপ। বাবা পরেশ যাদবকে বলেন, ওই মহিলাই তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। এবার থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীও বাড়িতে থাকবেন। সূত্রের খবর, প্রদীপের স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। তা নিয়েই বাড়িতে শুরু হয় অশান্তি। এর মধ্যে প্রচণ্ড মদ্যপানও করতে থাকেন যুবক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী]

বাবা প্রতিবাদ করলে গালিগালাজ শুরু করেন ছেলে। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। তখন প্রায় মধ্যরাত। বাধ্য হয়ে বাবা পুলিশে ফোন করে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে বড়তলা থানার দুই পুলিশকর্মী বাইকে করে বাড়িটিতে পৌঁছন। তাঁদের সাহায্যে পরেশবাবু তাঁর ছেলেকে একটি অটো করে বড়তলা থানায় নিয়ে যান। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, থানার মধ্যেই পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা যুবককে বোঝাতে থাকেন। ঘণ্টাদেড়েক পর যুবকের নেশা অনেকটাই কেটে যায়। তখন পুলিশের সহায়তায় বাবা ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন।

ওই মহিলার বাড়ি উত্তর কলকাতায়। রাতেই মহিলাকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসেন প্রদীপ। ভোররাতে ফের মদ্যপ অবস্থায় ফিরে আসেন বাড়িতে। বাড়িতে ঢুকেই ফের শুরু করেন গোলমাল। টিভি ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে শুরু করেন তিনি। পরিবারের লোকেরা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। ফের পরেশবাবু পুলিশকে ফোন করেন। পুলিশ এসে বাড়িতে পৌঁছয়। পুলিশ আধিকারিকরা যুবককে গোলমাল করতে বারণ করেন। পুলিশ চলে যাওয়ার পরই ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন যুবক। সকাল ন’টা বেজে গেলেও দরজা না খোলায় পরিবারের লোকেরা ডাকতে শুরু করেন। সাড়াশব্দ না মেলায় দরজা খুলে পরিবারের লোকেরা ঘরের ভিতর ঢুকে দেখেন, সিলিং থেকে গলায় গামছা দিয়ে ঝুলছেন যুবক। খবর পেয়ে বড়তলা থানার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এই মৃত্যুর ব্যাপারে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: এবার বিবাহবিচ্ছেদের পথে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া? অভিনেত্রীর পোস্ট ঘিরে বলিউডে শোরগোল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.