সোম থেকে শনির কর্মব্যস্ত সপ্তাহশেষে সকলেই চায় ক্লান্তি কমাতে বিশ্রাম নিতে। আবার একই সঙ্গে ইচ্ছে হয়, সারা সপ্তাহ যা যা কাজ বাকি থেকে গিয়েছে, সেইসব শেষ করতে। মাঝখান দিয়ে কিছুই হয়ে ওঠে না। মানসিক ক্লান্তি ও উদ্বেগ বেড়ে যায় অনেকখানি। এরপর সোমবার যখন আবার কাজের জায়গায় আসতে হয়, তখন সেখানের প্রতিও বিরক্তি জমে মনে (Reduce Work Stress)।

আরও পড়ুন:
কী করা যায়? কোন কোন পদ্ধতি মেনে চললে কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য ফেরানো যাবে?
১। সপ্তাহের বাকি সব দিন ব্যস্ততা থাকে, তাই খাওয়ার পালাও চলে যা হোক করে। কখনও একগাদা কার্বোহাইড্রেট, কখনও বা প্রিজারভেটিভ ভরা ফাস্ট ফুড। পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার জন্য তাই বরাদ্দ করেন কেবলমাত্র সপ্তাহের শেষ দুদিন। কিন্তু এভাবে পুষ্টি তো হয় না বটেই, শরীরের পক্ষেও এমন অনিয়ম ক্ষতিকর।
কী করবেন? ব্যালেন্সড ডায়েট মেনে চলার কাজ সহজ করে তুলুন। রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান। জাঙ্ক ফুড ও মিষ্টি খাওয়ার ক্ষেত্রে সচেতন হন। সপ্তাহে একটা দিন ‘চিট মিল’ চলতেই পারে।
২। রবিবার দীর্ঘ সময় শরীরচর্চা করলেও গোটা ওয়ার্ক-উইক জুড়ে ডেস্কে বসে থাকার প্রভাব কাটিয়ে ওঠা যায় না। নিয়মিত নড়াচড়া শরীরের সক্রিয়তা, চলাফেরার স্বাচ্ছন্দ্য এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কী করবেন? কাজের মাঝে অল্প সময়ের জন্য হাঁটুন, নিয়মিত শরীর স্ট্রেচ করুন। ব্যস্ততা কম থাকলে সিঁড়ির বদলে লিফট ব্যবহার করুন। খাবারের পর কয়েক মিনিট অন্তত হাঁটুন। দীর্ঘ সময়ের শরীরচর্চার প্রয়োজন নেই।
৩। সপ্তাহান্তে কয়েক ঘণ্টা বেশি ঘুমিয়ে নেওয়া আরামদায়ক তো বটেই, তবে এতে ক্লান্তি কাটে না। সপ্তাহের প্রতিদিন যদি পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, তাহলে তার ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।
কী করবেন? রাতে অতিরিক্ত সময় ধরে মোবাইল স্ক্রোল করার অভ্যাস কমান। ঘুমানোর আগে বই পড়ুন, ধীর গতির গান শুনুন। যাবতীয় দ্রুততা থেকে নিজেকে সরিয়ে আনুন কিছুক্ষণের জন্য।

৪। সপ্তাহ জুড়ে নিজের জন্যই সেট করে দিন ছোট ছোট লক্ষ্য। যেমন, কাজের জায়গায় কোনও সাফল্য পেলে নিজের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করুন। যে কোনও উপলক্ষ খুঁজে নিজের জন্য উপহার কিনে আনুন। সপ্তাহটি যাতে মাত্রাতিরিক্ত ক্লান্তিকর না লাগে, সেদিকে খেয়াল রাখুন নিজেই।
বাকি সপ্তাহের মানসিক ক্লান্তি যদি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তবে সপ্তাহান্তের স্বল্প সময়কালের মধ্যেই সমস্ত করে ফেলতে হবে, এমন তাড়া থাকবে না। সারা সপ্তাহ ঘুম ভালো হলে, উদ্বেগ-বিরক্তি কমবে। পরের সোমবারটিও অপেক্ষাকৃত কম ক্লান্তিকর বলে মনে হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সেপ্টেম্বরেই ভারতে পুতিন! মস্কোয় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্টকে মোদির বার্তা পৌঁছে দিলেন জয়শংকর
-
সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, মিলবে অনুদান? জল্পনা
-
৫১ বছর ধরে সেই ব্যর্থতাই সঙ্গী, আর্জেন্টিনার কাছে হেরে হকি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ভারতের
-
চিনি-পেঁয়াজের কালোবাজারি রুখতে লালবাজারের পদক্ষেপ! অভিযানে নামছে ইবি-র দশ টিম
-
সেনার হাতে আসছে ‘শের’! শত্রুর খুলি ওড়াবে দেশীয় প্রযুক্তির একে ২০৩ রাইফেল, জয় আত্মনির্ভর ভারতের