BREAKING NEWS

১৪ কার্তিক  ১৪২৭  শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

করোনার হামলা ‘রুখবে’ ডেঙ্গুর জীবাণু! চমকপ্রদ দাবি নয়া গবেষণায়

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: September 22, 2020 4:34 pm|    Updated: September 22, 2020 5:29 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বে কিছুতেই থামছে না করোনার দাপট। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো কলকাতা-সহ দেশের একাধিক শহরে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। এহেন সংকটকালে এক চমকপ্রদ তথ্য উঠে এল ব্রাজিলের বিজ্ঞানীদের গবেষণায়। তাঁরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানবশরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অর্থাৎ ইমিউনিটি গড়ে তুলতে সক্ষম ডেঙ্গু মশার সংক্রমণজনিত অসুস্থতা।

[আরও পড়ুন: সফল চিনের উইঘুর মুসলিমদের নির্মূল করার ছক! বন্ধ্যাত্বকরণের ফলে কমছে জন্মহার]

বিশ্বের করোনা প্রভাবিত দেশগুলির মধ্যে ব্রাজিল অন্যতম। একটি সমীক্ষা বলছে, দেশটির যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর মারাত্মক প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল, সে সব এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার কম। এই তথ্যের উপর নির্ভর করে গবেষণা শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। ইতিবাচক ফল মিলছে বলেই জানিয়েছেন স্বয়ং গবেষক। তবে এই গবেষণার রিপোর্ট এখনও প্রকাশিত হয়নি কোথাও। এই গবেষণায় উঠে আসা চমকপ্রদ তথ্য জানিয়েছেন আমেরিকার ডিউক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মিগুয়েল নিকোলেলিস। তিনি বলেন, ব্রাজিলে ডেঙ্গুর সঙ্গে করোনার এই সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে শুরু হওয়া গবেষণাটির তত্ত্ব ও তথ্যগুলি সঠিক প্রমাণিত হলে ডেঙ্গু সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরে বা একটি কার্যকর এবং নিরাপদ ডেঙ্গু ভ্যাকসিনের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। তিনি আর জানিয়েছেন, শরীরে ডেঙ্গুর প্রতিষেধক রয়েছে এমন ব্যক্তির শরীরে কখনও কখনও করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছে। তাদের করোনা সংক্রমণ না হওয়া সত্ত্বেও এই অ্যান্টিবডি মিলেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ব্রিটেনের রোসালিন্ড ফ্র্যাঙ্কলিন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দাবি করেছেন, তাঁদের তত্ত্বাবধানে ‘ফিফি’ নামের একটি লামার শরীরে তৈরি হয়েছে এমন অ্যান্টিবডি যা সার্সকোভ-২ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনগুলিকে খতম করে দিতে পারবে। অসংখ্য এমন অ্যান্টিবডি দিয়ে তৈরি হয়েছে ‘অ্যান্টিবডি ককটেল’ । মানুষের শরীরে ঢুকলে যা করোনা ভাইরাসকে মারার মতো প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলবে বলেই দাবি গবেষকদের। সংস্থাটিতে কর্মরত গবেষক জেমস নাইসমিথ বলেছেন, মানুষের শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় তার থেকে লামার শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি আলাদা। সাধারণত উট জাতীয় প্রাণী যেমন লামা, আলপাকাদের শরীরে এমন অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। লামা ফিফির রক্তে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে তাকে বিশেষ বৈজ্ঞানিক উপায় তৈরি করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের স্ট্রেন লামার শরীরে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ঢুকিয়ে এমন অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। আকারে ছোট কিন্তু মানুষের শরীরে তৈরি অ্যান্টিবডির থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী।

[আরও পড়ুন: সবাই পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর হিসেবেই চেনে, রাষ্ট্রসংঘে দাঁড়িয়ে ফের তোপ ভারতের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement