Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
কৃত্তিবাসী রামায়ণ শাড়িতে

সুতোর কাজে শাড়িতে ফুটে উঠেছে আস্ত রামায়ণ, দাম আড়াই লক্ষ টাকা!

১ বছরেরও বেশি সময় ধরে বোনা হয়েছে এই মূল্যবান শাড়ি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, ১৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, ১৮:৫৭

options
link
সুতোর কাজে শাড়িতে ফুটে উঠেছে আস্ত রামায়ণ, দাম আড়াই লক্ষ টাকা! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা শাড়িতে কৃত্তিবাসী রামায়ণ। আরেকটু খোলসা করে বলতে গেলে, পুরো শাড়ি জুড়ে রাম-রাবণ আর সীতার কাহিনি! তাও আবার সূক্ষ্ম সুতোর কাজে ফুটিয়ে তুলেছেন বাংলার তাঁতশিল্পী। বইয়ের পাতা থেকে একটা গোটা মহাকাব্য শাড়িতে ফুটিয়ে তোলা আর যাই হোক চারটিখানি কথা নয়! কিন্তু বাঙালি শিল্পীর হাতের জাদুতে এও সম্ভব হয়েছে। আর তার বাজারজাত দাম শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠবে বইকী!

দাম আড়াই লক্ষ টাকা। শুনে অবাক হচ্ছেন তো? তা অত দাম হবে নাই বা কেন? এই শাড়ি বুনতে সময় লেগেছে ১ বছরেরও বেশি। রংবেরঙের সুতো দিয়ে কৃত্তিবাসী রামায়ণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন শাড়িতে। শাড়ি বুননের জন্য মজুরি ধরা হয়েছে এক লক্ষ আশি হাজার টাকা। আর এই মহামূল্য শাড়ি যখন বাজারজাত করা হবে, তখন তার দাম যে খানিক হলেও বাড়বে, তা বলাই যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: দামি মেক-আপ সামগ্রী এক্সপায়ার করেছে? এই ব্যবহারগুলি জানলে চমকে যাবেন]

এই মূল্যবাণ শাড়ির শ্রষ্টা রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত তাঁত শিল্পী বীরেন কুমার বসাক। নদীয়া, ফুলিয়ার খ্যাতনামা তাঁতশিল্পীরা এই শাড়ি বুনেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বস্ত্রশিল্পের ইতিহাসে বাংলার শাড়ির স্থান যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা বোধহয় আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীদের রুচি আর চাহিদার সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে বালুচুরি, বেনারসি, বুটিক থেকে জামদানি শাড়ি। সেই দৌড়ে বাংলার ফুলিয়াও কম যায় না। বহু বছর ধরেই টেক্কা দিয়ে আসছে।

Saree

বাংলার তাঁতের শাড়ির আঁতুরঘর মানেই গঙ্গার ধারের ফুলিয়ার কথা বলতে হয়। কৃত্তিবাস ওঝার জন্মস্থানও বটে এই ফুলিয়া। ফুলিয়ার বয়রা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলা রামায়ণের স্রষ্টা কৃত্তিবাস। কৃত্তিবাসের জন্মভিটেতে রয়েছে কৃত্তিবাস স্মৃতি গ্রন্থাগার ও সংগ্রহশালা। তার পাশেই রয়েছে একটি বটগাছ। যে বৃক্ষের শীতল ছায়ায় বসে কৃত্তিবাস বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন। সেই মহাকবির জন্মস্থানের তাঁতশিল্পীই শাড়িতে রামায়ণের কাহিনি ফুটিয়ে তুলেছেন।

[আরও পড়ুন: ফ্যাশনের নয়া ট্রেন্ড কাফতান, পুজোতে অনন্যা হয়ে উঠতে কালেকশনে রাখছেন তো?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.