BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

শুভ অনুষ্ঠানে সাজের অনুষঙ্গ হোক গাঢ় ‘মেহেন্দিয়ানা’

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: February 4, 2019 8:42 pm|    Updated: February 4, 2019 8:42 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:   মেহেন্দি রাঙানো হাতের পাতায় মুগ্ধ হন না, এমন খুব কম জনই আছেন। পুরুষ, মহিলা নির্বিশেষে। প্রেমিকা হোক বা স্ত্রী – গাঢ় বাদামি নকশা করা হাতের দিকে নির্নিমেষ তাকিয়ে থাকবেনই। ফ্যাশনে যতই পশ্চিমী ঘরানার ঘেরাটোপে আমরা পড়ি না কেন, সাজগোজের ঐতিহ্যে কিছু কিছু উপকরণ তো চিরকালীন। তারই একটা – মেহেন্দি। বিয়ে তো বটেই, নানা অনুষ্ঠানেই মেহেন্দিতে হাত রাঙানোর একটা চল ছিল, আছে, থাকবেও। কিন্তু হাতে, পায়ে মেহেন্দির রং কীভাবে গাঢ় থেকে গাঢ়তর হবে, তা জানেন কি? শুধু সুন্দর নকশা আঁকলেই তো হবে না। তা তো রাখতেও হবে যত্ন করে। তার জন্যই কয়েকটা টিপস –

প্রথমত, মেহেন্দি লাগানোর আগে হাত এবং পায়ের পাতা যেন একেবারে  পরিষ্কার থাকে। তাহলে রং বসবে ভাল। আঁকাও সু্ন্দর হবে। বিন্দুমাত্র অপরিচ্ছন্ন থাকলে, মেহেন্দির রং ছড়িয়ে যাবে।

mehendi2

দ্বিতীয়ত, যত বেশি গাঢ় রং চান, তত দীর্ঘক্ষণ হাতে রাখুন মেহেন্দি। শুকিয়ে যাওয়ার পরও পাতার গুঁড়ো তুলবেন না। ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা এভাবে রাখলে, মেহেন্দির রং একেবারে গভীরে বসে যাবে। হবে দীর্ঘস্থায়ী।

                                               জানেন কি, লিপস্টিকের রঙেই লুকিয়ে আপনার ব্যক্তিত্ব?

তৃতীয়ত, মেহেন্দির নকশা হয়ে গেলে, হাতে ও পায়ের পাতায় একটি মিশ্রণ লাগান। লেবুর রস আর চিনি দিয়ে ভাল করে তৈরি মিশ্রণ লাগিয়ে নিন নকশার ওপর। একে শুকোতে দিন। এই মিশ্রণ বারবার লাগাতে থাকলে, রং গাঢ় হবে। নকশা ফুটে বেরোবে।

চতুর্থত, জল এড়িয়ে চলুন। মেহেন্দি পরার পর জল লাগানো কোনওভাবেই চলবে না। জলের ছিঁটেয় নষ্ট হয়ে যাবে নকশা। এতক্ষণ ধরে পরার পরিশ্রমই বৃথা।

পঞ্চমত, হাত এবং পা শুকিয়ে মেহেন্দি পাতা ঝরে পড়ে গেলে, একটা তাওয়ায় কিছু লবঙ্গ দিয়ে গরম করুন। তাওয়া থেকে লবঙ্গ পোড়া ধোঁয়ার কাছে হাত নিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। রংয়ের জেল্লা নিজেই বুঝতে পারবেন। তবে এই কাজটি যথেষ্ট সাবধানে করতে হবে।

mehendi1

ব্যাস আর কী? উৎসব, অনুষ্ঠানে মেহেন্দির রঙে মাত করে দেওয়ার কৌশল এবার আপনার হাতে মুঠোয়। কাজেই, বন্ধুর বিয়ে হোক বা শুভ কাজ – মেহেন্দির রঙে রাঙিয়ে ফেলুন। অনেকের মাঝে হয়ে উঠুন অনন্যা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement