Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Sugar-free mangoes

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর! বাজারে এল ‘সুগার ফ্রি’ আম

এই সুস্বাদু নয়া আমের দামও বেশি নয়

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২১, ১৮:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২১, ১৮:৫৫

options
link
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর! বাজারে এল ‘সুগার ফ্রি’ আম zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডায়াবেটিসে (Diabetes) ব্যতিব্যস্ত? রক্তে শর্করা এমন ভাবে বেড়ে গিয়েছে, এই অবস্থায় ভরা আমের মরশুমে মনখারাপ? এবার আপনার মতো আমপ্রেমী ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যই এসে গিয়েছে ‘সুগার ফ্রি’ আম (Sugar-free mangoes)! শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক, রীতিমতো সস্তাতেই বাজারজাত করা হয়েছে এমনই আম।

তবে এদেশে নয়। সেই আমের নাগাল পেতে হলে আপনাকে পাড়ি দিতে হবে পড়শি দেশ পাকিস্তানে।
হ্যাঁ, পাকিস্তানের (Pakistan) কিংবদন্তি ফল গবেষক এমএইচ পানওয়ারের নাতি গুলাম সারওয়ার করেছেন এই কাণ্ড। তিনি উদ্ভাবন করেছেন সুগার ফ্রি আমের তিন প্রজাতি। তিন রকমের আমই বাজারে বিকোচ্ছে ভারতীয় মূল্যে ৭০ টাকা কেজি দরে। তাদের নাম সোনারো, গ্লেন ও কেট। পাঁচ বছরের নিরলস গবেষণার পরে এই আম তৈরি করা গিয়েছে। এর মধ্যে কেটের শর্করার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪.৭ শতাংশ। বাকি সোনারো ও গ্লেনের মধ্যে শর্করার পরিমাণ ৫.৬ শতাংশ ও ৬ শতাংশ। পাকিস্তানে সদ্য শেষ হয়েছে সিন্ধ্রি ও চৌসা আমের মরশুম। এই সুগার ফ্রি আম পাওয়া যাবে আগস্টের শেষ পর্যন্ত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় দোষী মার্কিন পুলিশকর্মীর সাড়ে ২২ বছর জেলের সাজা]

সংবাদমাধ্যমকে এপ্রসঙ্গে বলতে গিয়ে গুলাম সারওয়ার জানিয়েছেন, ‘‘পাকিস্তান সরকার আমার দাদুকে সিতারা-এ-ইমতিয়াজ উপাধি দিয়েছিলেন আম ও কলা নিয়ে তাঁর গবেষণার জন্য। ওঁর মৃত্যুর পরে আমি কাজ চালিয়ে গিয়েছি এবং বিভিন্ন বিদেশি আম আনিয়ে নিয়ে তার উপরে গবেষণা চালিয়ে গিয়েছি।’’
এই গবেষণা তিনি একেবারেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে চালিয়েছেন বলে জানান গুলাম। পাক সরকার কোনও সাহায্য করেনি। তবে তা সত্ত্বেও এই আম উদ্ভাবনের পিছনে দেশের উন্নতিই তাঁর মাথায় ছিল বলেই জানাচ্ছেন তিনি। আপাতত কেবল দেশেই নয়, বিদেশেও এই আম ছড়িয়ে দিতে চান গুলাম।

প্রসঙ্গত, কেবল এই তিন রকমের আমই নয়। সব মিলিয়ে ৪৪ রকমের আমের বিভিন্ন প্রজাতি নিয়ে ৩০০ একর জমির উপরে তাঁর খামার। আগামী দিনেও আমের ফলন নিয়ে আরও নানা উদ্ভাবনের জন্য কাজ করে চলেছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: লাগামছাড়া সন্ত্রাসবাদীরা, FATF-এর ধূসর তালিকা থেকে মুক্তি পেল না পাকিস্তান]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.