৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo দিল্লি ২০২০ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মানুষের সংস্পর্শেই সংক্রমিত হচ্ছে করোনা ভাইরাস। দীর্ঘ পরীক্ষানিরীক্ষার পর নিশ্চিত করলেন চিনের চিকিৎসকরা। যা উদ্বেগ বাড়িয়ে দিল কয়েকগুণ। চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, করোনা ভাইরাসের বাহক মানুষ। মঙ্গলবারও ইউহান প্রদেশ অর্থাৎ যেখান থেকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে, সেখানকার এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে চিনে করোনা ভাইরাসের বলি ৪ জন। তিনিও প্রাথমিকভাবে নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। শারীরিক পরীক্ষার পর ধরা পড়ে, তাঁর দেহে বাসা বেঁধেছে করোনা ভাইরাস। এছাড়া বেজিং ও শাংহাইতেও ছড়িয়েছে এই রোগের জীবাণু।

জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের এই রিপোর্টের পর করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের ‘আইসোলেশন ওয়ার্ড’-এ রেখে চিকিৎসা করানোর কথা ভাবা হচ্ছে। কাজ করতে গিয়ে ইউহান মিউনিসিপ্যালিটির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের পরীক্ষা করেই গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে সংস্পর্শ থেকেই ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাসটি। প্রাথমিকভাবে ইউহানের সামুদ্রিক খাবার থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়েছিল। বেশ কিছু গবাদি পশুও আক্রান্ত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তাদের ডিম বা মাংস থেকে মানবশরীরে প্রবেশ করে জীবাণুটি। এর আগে এধরনের জীবাণুর অস্তিত্ব মেলেনি বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হচ্ছেন। পরে রক্তপরীক্ষায় মিলেছে এই করোনা ভাইরাস।

[আরও পড়ুন: নেপালে বেড়াতে গিয়ে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত কেরলের ৮ পর্যটক]

চিনের বাইরে থাইল্যান্ডের এক বাসিন্দা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর মিলেছে। উৎসস্থল চিন হলেও এই মুহূর্তে ভাইরাসের আতঙ্কে কাঁপছে পাশের দেশগুলিও। জাপান, সিঙ্গাপুর, হংকং, তাইওয়ান, অস্ট্রেলিয়ায় চিন থেকে যাওয়া যাত্রীদের শারীরিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। একই নিয়ম লাগু হয়েছে বাংলাদেশ এবং আমেরিকার বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরে। এমনকী কলকাতা বিমানবন্দরেও জারি হয়েছে সতর্কতা। কারণ, এইসব জায়গা থেকে প্রতি বছর প্রচুর মানুষ চিনে যান। চিনা নববর্ষ উপলক্ষে সেখানে পাঠরত বা কর্মরত মানুষজনও নিজেদের দেশে ফেরেন। তাই তাঁদের শরীরে যদি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতেও তা ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) করোনা ভাইরাসকে আন্তর্জাতিক স্তরে জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ‘বিপজ্জনক’ তকমা দেওয়ার কথা ভাবছে। ঠিক যেভাবে সোয়াইন ফ্লু এবং ইবোলার ক্ষেত্রে ঘোষণা করা হয়েছিল। বুধবার সংস্থার সদর দপ্তরে এনিয়ে বৈঠকের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে আছড়ে পড়ল বিধ্বংসী রকেট, ইরানের হাত দেখছে পেন্টাগন]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং