Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
পা

পায়ে যন্ত্রণা, জ্বালাভাব! করোনার নতুন উপসর্গ নিয়ে চিন্তিত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা

কাদের শরীরে দেখা যাচ্ছে নতুন উপসর্গ?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২০, ১৯:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২০, ১৯:৪৫

options
link
পায়ে যন্ত্রণা, জ্বালাভাব! করোনার নতুন উপসর্গ নিয়ে চিন্তিত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট এই চার ধরনের উপসর্গ দেখলে সন্দেহ জাগছে মনে। তবে কি করোনা ভাইরাস বাসা বাঁধল শরীরে, এই প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খাওয়া অসম্ভব কিছুই নয়। কিন্তু চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় উঠে এসেছে এক নয়া তথ্য। পায়ের পাতা, পায়ের তলা এবং আঙুলেও অনেক সময় দেখা দিচ্ছে করোনা সংক্রমণের উপসর্গ!  “কোভিড টোস” (Covid Toes) বলে যার নামও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ধরনের উপসর্গ মূলত শিশু এবং তরুণ-তরুণীদেরই মধ্যে দেখা যাচ্ছে বেশি।

ইউরোপ এবং আমেরিকার একদল বিশেষজ্ঞদের দাবি, গত মার্চে তাঁদের কাছে বেশ কয়েকজন শিশুকে নিয়ে আসেন বাবা-মায়েরা। তাদের প্রত্যেকেরই পায়ের পাতায়, তলায় এবং আঙুলে ব্যথা শুরু হয়। সঙ্গে জ্বালা ভাব। ঠিক যেন ঠান্ডায় ফেটে যাওয়ার মতো লাল হয়ে যাচ্ছে সেই সব অংশের ত্বক। কারও আবার তৈরি হচ্ছে গভীর ক্ষত। ক্ষত সারলেই শুরু হচ্ছে শ্বাসকষ্ট। নতুন ধরনের এই শারীরিক সমস্যাকে করোনার উপসর্গ হিসাবেই দেখছেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা। নতুন উপসর্গকে “কোভিড টোস” হিসাবে নাম দিয়েছেন তাঁরা। ইটালিতেও বেশ কয়েকজন শিশুর মধ্যেও এই ধরনের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। যাদের শরীরে করোনার চেনা উপসর্গ ছিল না। কিন্তু এই ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পরীক্ষায় ডাহা ফেল করোনা প্রতিষেধক Remdesivir, প্রয়োগপর্বের মাঝপথেই ইতি]

গোটা বিশ্বে এখন আতঙ্কের একটাই নাম নোভেল করোনা ভাইরাস। একেবারে নতুন এই ভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ হিসাবে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্টকেই চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও উপসর্গহীন রোগীরাও ভাবনার বড় কারণ। যদিও একদল বিশেষজ্ঞের দাবি, উপসর্গহীন রোগীদের জ্বর, সর্দি, কাশি হয় না ঠিকই। তবে তাঁদের স্বাদ এবং গন্ধ বোঝার ক্ষমতা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে। তাঁদের চোখও লালচে হয়। তাঁরা বুঝতে পারেন না বলে ব্যবস্থা নেওয়াও সম্ভব হয় না। অথচ উপসর্গহীন রোগীর সংস্পর্শে আসা প্রায় প্রত্যেকেরই আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে যথেষ্ট। তাই উপসর্গহীন করোনা রোগীদের চিহ্নিত করা বেশ কঠিন। তার উপর আবার “কোভিড টোস” বিশেষজ্ঞদের কপালের ভাঁজ চওড়া করেছে।

[আরও পড়ুন: গ্লাভসের ভুল ব্যবহারে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো? জেনে নিন সঠিক কৌশল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.