Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Prescription Plus

মাসের পর মাস একই টুথব্রাশ? একাধিক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, পরামর্শ দন্ত চিকিৎসকদের

অধিকাংশ মানুষই মাসের পর মাস একই টুথব্রাশ ব্যবহার করে থাকেন। ডেন্টাল সার্জনদের মতে, এটি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সাধারণত প্রতি তিন থেকে চার মাস অন্তর ব্রাশ পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কেন? নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৬:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৬:২১

options
link
মাসের পর মাস একই টুথব্রাশ? একাধিক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, পরামর্শ দন্ত চিকিৎসকদের zoom
সুস্থ থাকতে দামি টুথপেস্ট নয়, সঠিক সময়ে টুথব্রাশ পালটান

শরীরের প্রবেশদ্বার হল মুখ। আর সেই প্রবেশদ্বার পরিষ্কার রাখার প্রধান অস্ত্র টুথব্রাশ। কিন্তু অযত্নে থাকলে সেই অস্ত্রই হয়ে উঠতে পারে হন্তারক। অধিকাংশ মানুষই মাসের পর মাস একই টুথব্রাশ ব্যবহার করে থাকেন। ডেন্টাল সার্জনদের মতে, এটি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সাধারণত প্রতি তিন থেকে চার মাস অন্তর ব্রাশ পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কেন? নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ।

ফাইল ছবি

টুথব্রাশের (Toothbrush) প্রধান কাজ হল দাঁতের এনামেলের ওপর জমে থাকা ডেন্টাল প্লাক ও বায়োফিল্ম দূর করা। নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ব্রাশের ব্রিসল বা তন্তুগুলো নমনীয়তা হারায় এবং দুমড়ে-মুচড়ে যায়। চিকিৎসকদের ভাষায় একে বলা হয় ব্রিসল ফ্লেয়ারিং। এই অবস্থায় ব্রাশ তার ঘর্ষণ ক্ষমতা হারায়। ফলে দাঁতের খাঁজে জমে থাকা খাদ্যকণা ও জীবাণু পরিষ্কার হয় না। অকার্যকর ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজা আর না মাজা প্রায় সমান।

Advertisement

বাথরুমের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে টুথব্রাশ রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভিজে ব্রাশে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস ও ঈস্ট বংশবৃদ্ধি করে। দীর্ঘদিন একই ব্রাশ ব্যবহারে ক্রস-কন্টামিনেশন-এর ঝুঁকি বাড়ে। অর্থাৎ, ব্রাশের জমে থাকা প্যাথোজেন পুনরায় মুখে প্রবেশ করে ওরাল ক্যান্ডিডিয়াসিস বা মাড়ির সংক্রমণের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

ফাইল ছবি

পুরোনো ব্রাশের ব্রিসলগুলো ধারালো হয়ে যায়। এটি মাড়ির টিস্যুর ওপর মাইক্রো-ট্রমা তৈরি করে। এর ফলে মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং প্রদাহ হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পেরিওডন্টাল ডিজিজ বা মাড়ির জটিল রোগ তৈরি করে।

ভাইরাল ফিভার, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা স্ট্রেপ থ্রোটের মতো সংক্রামক ব্যাধি থেকে সুস্থ হওয়ার পর প্রথম কাজই হল টুথব্রাশ বদলে ফেলা। ব্রাশের তন্তুর গভীরে ভাইরাসের কণা দীর্ঘক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে। সুস্থ হওয়ার পর পুরোনো ব্রাশ ব্যবহার করলে পুনরায় সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যায়।

সুস্থ থাকতে শুধু দামি টুথপেস্ট নয়, বরং সঠিক সময়ে সঠিক টুথব্রাশ নির্বাচনই হল ডেন্টাল হাইজিনের আসল চাবিকাঠি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.