Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
মাধ্যমিক

পরীক্ষাকেন্দ্রেই অসুস্থ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী? মুশকিল আসানে তৈরি ‘স্টুডেন্ট মিনি হাসপাতাল’

হাসপাতাল তৈরি করে প্রশংসা কুড়িয়েছে শিলিগুড়ি ইউনিক ফাউন্ডেশন টিম। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০, ২০:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০, ২০:৫২

options
link
পরীক্ষাকেন্দ্রেই অসুস্থ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী? মুশকিল আসানে তৈরি ‘স্টুডেন্ট মিনি হাসপাতাল’ zoom
Advertisement

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: পরীক্ষা দিতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে আপনার সন্তান? দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে কোনও মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী? চিন্তা নেই। মুশকিল আসান করতে শিলিগুড়িতে তৈরি করা হয়েছে ‘স্টুডেন্ট মিনি হাসপাতাল’। এই হাসপাতাল তৈরি করে প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছে শিলিগুড়ি ইউনিক ফাউন্ডেশন টিম। 

জীবনে প্রথম বোর্ডের পরীক্ষা দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেক পড়ুয়ারাই। একদিকে যেমন থাকে পড়াশোনার চাপ, অন্যদিকে থাকে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার সম্মুখীন হওয়ার একটা চাপা উৎকণ্ঠা। এই সবকিছু মিলিয়েই যে কোনও সময় অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে পরীক্ষার্থীরা। শহরতলিগুলিকে বাদ দিলে গ্রামের প্রচুর স্কুলে পরীক্ষার্থীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরিষেবা পাওয়া যায় না। এই সমস্যাই ভাবায় শিলিগুড়ি ইউনিক ফাউন্ডেশন সংগঠনকে। মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনগুলিতে তাই শিলিগুড়িতে খোলা হবে ‘স্টুডেন্ট মিনি হাসপাতাল’। কৃষ্ণমায়া নেপালি হাইস্কুল এবং বিবেকানন্দ হাইস্কুলেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

Advertisement

ইউনিক ফাউন্ডেশনের অন্যতম সদস্য পীযূষ রায় বলেন, একই জায়গায় প্রতিদিনই শিবির চালানো হবে। কোনও পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করবেন তাঁরাই। একটি অ্যাম্বুল্যান্স প্রস্তুত থাকবে পরীক্ষার ক’দিনই। থাকবে স্ট্রেচারও। প্রাথমিক চিকিৎসায় কাজ  না হলে নিকটবর্তী হাসপাতাল কিংবা নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হবে অসুস্থকে। সদস্যদের ফোন নম্বর ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে শহরের প্রতিটি স্কুলে। তাঁদের কাছে ফোন এলেই দলের সদস্যরা দৌড়ে যাবেন সংশ্লিষ্ট স্কুলে। 

[আরও পড়ুন:সরকারি প্রকল্পের ঘর প্রাপকদের তালিকায় বিদায়ী চেয়ারম্যান! জেলাশাসকের দ্বারস্থ বিজেপি]

সংগঠনের অন্যতম সদস্য ভানু দে জানিয়েছেন,”ধূপগুড়িতে সম্প্রতি এক স্কুলছাত্রী পরীক্ষাকেন্দ্রের অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথায় পরীক্ষা শেষ করতে পারেনি। তাকে হাঁটিয়ে উপরতলা থেকে ওই অবস্থায় নিচে নিয়ে আসা হয়। জোটেনি কোনও স্ট্রেচারও। এই ঘটনার পরই আমাদের মাথায় পরিষেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। শেষমেশ তা কার্যকর করতে পেরে ভালো লাগছে। তবে প্রথম দিন তেমন কোনো অসুস্থতার খবর আসেনি।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.