১৪  আশ্বিন  ১৪২৯  মঙ্গলবার ৪ অক্টোবর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

মারণ ভাইরাসকে হারিয়েও রেহাই নেই, বিরল স্নায়ুর রোগে ভুগছেন মুম্বইয়ের বহু করোনাজয়ী

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: November 19, 2020 5:49 pm|    Updated: November 19, 2020 5:49 pm

Mumbai reports 24 cases of Guillain-Barre syndrome which causes paralysis in recovered Covid-19 patients |Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু করোনায় (CoronaVirus) রক্ষে নেই, দোসর বিরল স্নায়ুর রোগ। মারণ ভাইরাসের কবল থেকে রক্ষা পেলেও এই বিরল স্নায়বিক সমস্যা হয়ে উঠছে প্রাণঘাতী। সম্প্রতি যার প্রকোপ বেড়েছে বাণিজ্যনগরী মুম্বইতে। গত কয়েক সপ্তাহে মুম্বইয়ে অন্তত ২৪ জন এমন করোনাজয়ীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যাদের শরীরে এই বিরল গুলেন বারি সিনড্রোম (Guillain-Barre syndrome) দেখা গিয়েছে। সাধারণত, ভয়াবহ কোনও সংক্রামক ব্যাধি শরীরে বাসা বাঁধলে স্নায়ুর এই সমস্যাটি দেখা যায়। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না হলে এই রোগটিও হতে পারে প্রাণঘাতী।

গুলেন বারি সিনড্রোম, যার মূল লক্ষণ হল অসাড়তা। শুরুর দিকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ব্যথাও থাকতে পারে। পরবর্তীকালে দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দুর্বল হতে থাকে। বিশেষ করা হাত-পায়ের দুর্বলতা এক্ষেত্রে লক্ষণীয়। আক্রান্ত হওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে এই দুর্বলতা প্রকট হয়। অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র অসাড় হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘাড়ের পেশি। চিকিৎসা না হলে রোগীর হাঁটাচলা করতেও সমস্যা হয়। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হয়ে যাবার কারণে মুখের পেশি দুর্বল হয়, খাবার গিলতে অসুবিধা হয়, চোখের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে সমস্যা দেখা যায় দৃষ্টিশক্তিরও। এছাড়াও শরীরে বিভিন্ন জায়গা যেমন ঘাড়, পিঠ, কোমরে ব্যথা থাকতে পারে।

[আরও পড়ুন: দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ফের ৪৫ হাজারের বেশি, বাড়ল মৃত্যুও]

আগেই বলা হয়েছে, কোনও ভয়াবহ সংক্রামক রোগ শরীরে বাসা বাঁধলে অনেক সময় গুলেন বারি সিনড্রোম দেখা যায়। করোনা রোগীর ক্ষেত্রে এই রোগ একেবারে রোগমুক্তির পরে বা রোগের শেষপর্যায়ে দেখা দিতে পারে। সম্প্রতি, বাণিজ্যনগরীতে ২৪ জন করোনাজয়ীর শরীরে এই বিরল গুলেন বারি সিনড্রোম ধরা পড়েছে। আসলে মুম্বইয়ের খ্যাতনামা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা করোনা (COVID-19) এবং গুলেন বারি সিনড্রোমের মধ্যে কোনও যোগসূত্র আছে কিনা, তা নিয়ে একটি সমীক্ষা করেছিলেন। আর তাতেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এই সমীক্ষার ফলাফলকে বেশ উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে