Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Corneal Ulcer

শীতে বাড়ে কর্নিয়ার আলসার, হারাতে পারেন দৃষ্টিশক্তি, লক্ষণ ও চিকিৎসা কী?

কতটা বিপজ্জনক কর্নিয়ার আলসার?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৭:৫২

options
link
শীতে বাড়ে কর্নিয়ার আলসার, হারাতে পারেন দৃষ্টিশক্তি, লক্ষণ ও চিকিৎসা কী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণত আমরা গ্রীষ্মের কড়া রোদে চোখের যত্ন নিলেও শীতকালকে উপেক্ষা করি। অথচ চিকিৎসকদের মতে, শীতকালে চোখের স্বাস্থ্য ঝুঁকি গ্রীষ্মের তুলনায় অনেক বেশি। এই সময়ে বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পায়। বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা ও ক্ষতিকর রাসায়নিক চোখের মারাত্মক ক্ষতি করে।

শীতের শুষ্ক বাতাস চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। শহুরে এবং শিল্পাঞ্চলে ধোঁয়াশা ও দূষিত কণা বাতাসে মিশে থাকে। আমরা শীতের আমেজে বাইরে বেশি সময় কাটাই, যার ফলে সরাসরি চোখের সংস্পর্শে আসে বিষাক্ত বাতাস। বিশেষ করে শিশু এবং যারা বাইরে কাজ করেন, তারা সবথেকে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। শীতের শুষ্কতায় কর্নিয়ায় ছোট ক্ষত তৈরি হতে পারে। এই ক্ষতস্থানে যখন বায়ুদূষণ বা ধূলিকণা থেকে সংক্রমণ ঘটে, তখন তাকে ‘কর্নিয়ার আলসার’ বলে। এটি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে দৃষ্টিশক্তি চিরতরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।Symptoms of corneal ulcer

Advertisement

লক্ষণ কী কী?
১. চোখ প্রচণ্ড লাল হয়ে যাওয়া এবং অনবরত জল পড়া।
২. চোখে তীব্র ব্যথা বা খচখচানি ভাব।
৩. ঝাপসা দৃষ্টি বা আলোর দিকে তাকাতে সমস্যা হওয়া।
৪. চোখের মণির ওপর সাদাটে দাগ।

কর্নিয়ার আলসার (Corneal Ulcer) কেন বিপজ্জনক?
কর্নিয়া হল চোখের ‘প্রবেশদ্বার’ বা স্বচ্ছ লেন্স। কর্নিয়ার আলসার একটি মেডিকেল এমার্জেন্সি। কারণ এটি চোখের স্থায়ী অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। কর্নিয়ায় আলসার দেখা দিলে কী কী ঘটতে পারে?

১. স্থায়ী ক্ষত: সংক্রমণের ফলে কর্নিয়ায় যে সাদাটে দাগ বা ক্ষত তৈরি হয়, তা আলোক রশ্মিকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে ঝাপসা হয়ে যায়।
২. কর্নিয়া ফুটো হওয়া: আলসার গভীর হলে কর্নিয়া ফুটো হয়ে যেতে পারে, যা চোখের অভ্যন্তরীণ অংশকে ঝুঁকির মুখে ফেলে।
৩. দ্রুত ছড়িয়ে পড়া: বিশেষ করে ছত্রাক বা সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুরো চোখকে নষ্ট করে দিতে পারে।
৪. এন্ডোফথালমাইটিস: সংক্রমণ চোখের গভীরে ছড়িয়ে পড়লে পুরো চোখটিই অস্ত্রোপচার করে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তাই সামান্য অবহেলা বা ভুল ড্রপ ব্যবহার দৃষ্টিশক্তি চিরতরে কেড়ে নিতে পারে।

treatment of corneal ulcer

চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বা অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ড্রপ ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিরোধের জন্য বাইরে বের হলে সানগ্লাস বা প্রোটেক্টিভ চশমা ব্যবহার করুন। চোখে বারবার হাত দেবেন না। প্রতিদিন পরিষ্কার ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন। মনে রাখবেন, শীতকে অবহেলা চোখের বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.