BREAKING NEWS

১২ কার্তিক  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

শৌচাগারের ফ্লাশ থেকেও ছড়াতে পারে করোনা! জেনে নিন সুরক্ষিত থাকার উপায়

Published by: Paramita Paul |    Posted: June 19, 2020 5:28 pm|    Updated: June 19, 2020 5:38 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টয়লেট ফ্লাশ থেকেও করোনা ছড়াতে পারে। চিনের এক নতুন গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। টয়লেটে থেকে থেকে কীভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়ে তা Physics Of Fluid সায়েন্স জার্নালে বিস্তারিত ব্যাখা দেওয়া হয়েছে। আর এরপরই হাসপাতাল, রেস্তোরাঁ, অফিসের মতো পাবলিক টয়লেট থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর ব্যাপক আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে তা থেকে কীভাবে বাঁচা সম্ভব, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, মানুষের শরীর থেকে তার থুতু, লালা বা শ্লেষ্মাকে আধার বানিয়ে এই ভাইরাস হাওয়ায় বেশ কিছুক্ষণ ভেসে থাকতে পারে। এই আধারকে বলা হয় রেসপিরেটারি ড্রপলেট। বাতাসে ভেসে থাকার ক্ষমতা হারিয়ে ফেললে মাটিতে বা যে কোনও পদার্থের গায়ে  ঘন হয়ে জমে থাকতে পারে ভাইরাল স্ট্রেন। তৈরি হয় ভাইরাস-ক্লাউড (Virus Cloud)। নয়া গবেষণা বলছে, শৌচাগারে এই ভাইরাস-ক্লাউড তৈরির সম্ভাবনা বেশি। বিশেষত পাবলিক টয়লেট, বাড়িতে বাইরে লোকের বেশি যাতায়াত থাকলে ভাইরাস ড্রপলেট তৈরি হতে পারে।

[আরও পড়ুন : শুধু বাইরে থেকে সুন্দর নয়, আপনার আলমারির অন্দরমহলও থাকুক টিপটপ]

কিন্তু কীভাবে তৈরি হয় এই ড্রপলেট?
বিজ্ঞানীরা বলছেন, সংক্রমিত রোগী যে শৌচাগার ব্যবহার করছেন সেখানে তাঁর রেসপিরেটারি ড্রপলটে তৈরি হতে পারে। ফলে টয়লেটে রাখা জিনিসপত্রে করোনার জীবাণুর স্ট্রেন জমা হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। এমনকী, কমোডে ফ্লাশ করার পর জলের যে ঘূর্ণি তৈরি হয় তার থেকেই বাতাসে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি ভাইরাস ড্রপলেটের পরিমাণ বাড়লে বাতালে ৩ ফুট উচ্চতা অবধি ভাইরাস-ক্লাউড তৈরি হতে পারে। খালি চোখে যা দেখা যায় না। ফলে ওই সংক্রমিতের পর যিনি ওই শৌচাগার ব্যবহার করবেন, তিনিও করোনা আক্রান্ত হতে পারেন।  এ প্রসঙ্গে Yangzhou University-এর অধ্যাপক তথা এই রিসার্চ পেপারের অন্যতম লেখিকা জি জিয়াং ওয়াং বলেন, “ফ্লাশ করার সময় করোনার ভাইরাসগুলি কমোডের বাইরে বেরিয়ে আসে। তাই ফ্লাশ করার আগে কমোডের ঢাকনা বন্ধ করে নেওয়া উচিত।”

[আরও পড়ুন : করোনা পরিস্থতির মধ্যেই বাড়ি কেনার কথা ভাবছেন? মাথায় রাখুন কয়েকটি টিপস]

তাই নিয়মিত বাথরুম পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সময় পাবলিক টয়লেট এড়িয়ে চলাই উচিৎ। অন্যদিকে শৌচাগারের হার চোখ-মুখ-নাকে না দেওয়াই ভাল। পাশাপাশি, স্যানিটাইটার অবশ্য ব্যবহার করতে হবে। তবে ওই গবেষণাপত্রের লেখকদের মতে, শৌচাগার থেকে করোনা সংক্রমণ এড়াতে ফ্লাশ করার আগে কমোডের মুখ বন্ধ করে নেওয়া বাধ্যতামূলক। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement