সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ির যত্রতত্র বিনা অনুমতিতে ঘুরে বেড়ায়। কখনও আবার দেওয়ালের এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্তে চলে যায় চোখের পলকে। লেজের টুকরো খসে মেঝেতে বিরক্তিকরভাবে পড়ে থাকে। আচমকা গায়ে এসে পড়লে পিলে পর্যন্ত চমকে ওঠে। টিকটিকি (lizards)। সহজ কিছু ঘরোয়া উপায়েই এই বাড়ি জবরদখল করা সরীসৃপটি উৎখাত করা যেতে পারে।
১) পিঁয়াজ (Onion) – পিঁয়াজের কড়া গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না টিকটিকিরা৷ চাইলে কয়েক টুকরো পিঁয়াজ বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় রেখে দিতে পারেন। নয়তো পিঁয়াজের রসের সঙ্গে জল মিশিয়ে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

২) কফি (Coffee) – কফির সঙ্গে তামাক মেশান। তারপর ছোট ছোট বলের মতো করে বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় রেখে দিন। হয় টিকটিক পালিয়ে বাঁচবে নয়তো পরলোক গমন করবে।
[আরও পড়ুন: সময় অসময়ে বাড়িতে পিঁপড়ের হানা? ঘরোয়া উপায়ে এভাবেই করুন বংশ ধ্বংস]
৩) তেজপাতা (Dried Indian bay leaves) – টিকটিকির উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার অন্যতম সেরা উপায়। তেজপাতা পুড়িয়ে সেই গন্ধ যদি বাড়ির বিভিন্ন কোণায় ছড়িয়ে দিতে পারেন নিমেষে পালাবে টিকটিকিরা। কয়েকদিন এমনটা করলে আর আপনার বাড়িমুখো হবে না অবাঞ্ছিত অতিথিরা।

৪) ন্যাপথালিন (Naphthalene): ছোটবেলার কথা মনে আছে? নতুন জামাকাপড়ের আলমারি কিংবা সিন্দুক খুললেই সারা ঘর ন্যাপথলিনের গন্ধে ভরে যেত। শুধু পোকামাকড় নয় টিকটিকিদের তাড়াতেও এই ন্যাপথালিনের জুড়ি মেলা ভার।
৫) মরিচ গুড়ো (Pepper Spray): মরিচ টিকটিকিরা একেবারেই পছন্দ করে না। একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে মরিচ গুড়ো ভাল করে মিশিয়ে নিন। তারপর সেই জল সারা বাড়িতে ছড়িয়ে দিন। তাহলেই কেল্লাফতে।
৬) ঠান্ডা জল (Coldwater) – টিকটিকিরা গরম স্থানে থাকতে ভালবাসে। ঠান্ডা তাদের একদম পছন্দ হয়। কনকনে ঠান্ডা জল টিকটিকির গায়ে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে তাদের চলাফেরার গতি কমে যাবে। সহজেই ধরে ফেলতে পারবেন। তারপর পত্রপাঠ বিদায় দিতে পারবেন নিজের বাড়ি থেকে।
[আরও পড়ুন: ডিটারজেন্ট ছাড়াই প্রিয় পোশাকে চা-কফির দাগ তুলতে পারেন ঘরোয়া এই উপায়গুলিতে]
সর্বশেষ খবর
-
সেনার বেশে প্রধানমন্ত্রীকে খুনের ছক! মুম্বইয়ে মোদির সভাস্থলে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার যুবক
-
সরকারি নথিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভারতের অরণ্যভূমি, বাস্তব চিত্র কী?
-
হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তোড়জোড় তুঙ্গে! বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নামে কী কী রয়েছে?
-
পুজোর আগেই বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, শ্রমিকদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস, খুশির হাওয়া চা বাগানে
-
কাজলের পরে জেলা পরিষদের চেয়ারে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ! নেপথ্যে বিজেপি? নজরে বীরভূমের রাজনীতি