ছোট্ট এক কাঠা জায়গা। তাতেই প্ল্যান করে সুন্দর বাড়ি তুলেছেন। সাজানো সংসার। সুখী জীবন। হঠাৎ করে ছন্দপতন। দিন দিন ব্যয় বাড়ছে। তিক্ততা তৈরি হচ্ছে দাম্পত্যে। বাড়িতে প্রবীণদের অসুখবিসুখ লেগেই রয়েছে। কারণ যা কিছুই হোক না কেন! কিন্তু এই ভুল করছেন না তো? জেনে নিন।

আরও পড়ুন:
বাস্তুশাস্ত্র বলছে, ঘরের চৌকাঠে ইতিবাচক শক্তির অবাধ যাতায়াত ধরে রাখতে কিছু নিয়ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে থেকে ফিরে যেখানে-সেখানে জুতো খুলে রাখা কিংবা ভুল দিকে জুতোর র্যাক সাজিয়ে রাখা চরম বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে নিমেষে। অজান্তেই ঘর হয়ে উঠতে পারে নেতিবাচক শক্তির অনায়াস চারণভূমি। তাই গৃহকোণে অলক্ষ্মীর প্রবেশ রুখতে জুতো রাখার সঠিক স্থান নির্বাচন করা জরুরি।
বাস্তুবিদদের মতে, জুতো ঘরের বাইরে রাখাই শ্রেয়। কারণ, জুতোর সঙ্গেই বাইরের নেতিবাচক শক্তি ঘরের অন্দরে প্রবেশ করে। তবে তার চেয়েও বেশি নজর দেওয়া প্রয়োজন শু র্যাকের অভিমুখের উপর। শাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়ির পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব কোণ অর্থাৎ ‘ঈশান কোণ’ জুতো রাখার জন্য একেবারেই নিষিদ্ধ। পূর্ব দিকের অধিপতি স্বয়ং দেবরাজ ইন্দ্র এবং এই দিকের গ্রহাধিপতি সূর্যদেব। অন্যদিকে, উত্তর-পূর্ব কোণ বা ঈশানের দেবতা হলেন দেবাদিদেব শিব, যার গ্রহাধিপতি বৃহস্পতি। এই পবিত্র দিকগুলিতে নোংরা জুতো বা র্যাক রাখলে দেবতাদের ঘোর অপমান হয়। ফলে গৃহস্বামীর উন্নতিতে বাধা আসে, পরিবারে দেখা দেয় চরম আর্থিক অনটন ও অশান্তি।

তাহলে কোথায় রাখবেন জুতোর র্যাক?
বাস্তু নিয়ম মেনে জুতো রাখার শ্রেষ্ঠ জায়গা হল বাড়ির পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক। এই দুই দিকের অধিপতি যথাক্রমে বরুণ ও বায়ুদেব। শাস্ত্র মতে, এই দুই দেবতা ঘরের সমস্ত অশুভ ও নেতিবাচক শক্তি অনায়াসে শুষে নিতে পারেন। ফলে সংসারে পজিটিভ শক্তির ভারসাম্য বজায় থাকে। যদি কোনও কারণে পশ্চিম দিকে পর্যাপ্ত জায়গা না মেলে, তবে বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া যেতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ বা ‘নৈঋত কোণ’। এই কোণটি মূলত পৃথিবী তত্ত্বের সঙ্গে যুক্ত। এখানে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে জুতোর র্যাক রাখলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় থাকে। বজায় থাকে সুখ ও সমৃদ্ধির আবহ। সামান্য একটু দিশা বদল করলেই যদি সংসারের শ্রী ফেরে, তাহলে অসুবিধা কীসে! আজই বাস্তু মেনে জুতোর র্যাখ সাজান।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
লাগবে না ইথানল! ভারতের প্রথম ‘উড়ন্ত গাড়ি’ বানিয়ে নজির উত্তরাখণ্ডের তরুণের
-
‘রাত ২টো পর্যন্ত কাজ করেও হচ্ছে না’, মুখ্যমন্ত্রীর ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে খুশির হাওয়া হাওড়ার পতাকা বাড়িতে!
-
মহিলা সংরক্ষণ বিলে রাহুল-রিজিজু ‘ডুয়েল’! আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে তরজায় শাসক-বিরোধী
-
কুকুরের মাংস খান! তীব্র গরম থেকে বাঁচতে ‘আজব’ দাওয়াই
-
ছেলের মাসপূর্তিতে উপহারের সম্ভার! খেলনা থেকে মিক্সার মেশিন, দেখিয়ে কী বললেন ইউটিউবার সুস্মিতা?