Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Meta Paid Subscription

ফেসবুক থেকে হোয়াটসঅ্যাপ, মেটা-র অ্যাপ ব্যবহারে এবার খসবে গাঁটের কড়ি! চালু সাবস্ক্রিপশন ফি

গত কয়েক বছরে নিত্যদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে গিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো অ্যাপগুলো। শুধু সকলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কিংবা বিনোদনের মাধ্যম হিসাবেই নয়, যে কোনও সংস্থা বা সংগঠনেরও অন্যতম প্রচারের মাধ্যম হয়ে উঠেছে এই সমস্ত অ্যাপ। এবার তার জন্য অর্থ ধার্য করছে মার্ক জুকেরবার্গের সংস্থা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৬, ১৬:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৬, ১৬:৩৮

options
link
ফেসবুক থেকে হোয়াটসঅ্যাপ, মেটা-র অ্যাপ ব্যবহারে এবার খসবে গাঁটের কড়ি! চালু সাবস্ক্রিপশন ফি zoom
মেটা-র মালিকানাধীন বহুল ব্যবহৃত অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে ব্যয় করতে হবে গাঁটের কড়ি।
Advertisement

ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। এবার সেই দিকেই এগোচ্ছে পরিস্থিতি। মেটা-র মালিকানাধীন বহুল ব্যবহৃত অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে ব্যয় করতে হবে গাঁটের কড়ি।

গত কয়েক বছরে নিত্যদিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে গিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো অ্যাপগুলো। শুধু সকলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কিংবা বিনোদনের মাধ্যম হিসাবেই নয়, যে কোনও সংস্থা বা সংগঠনেরও অন্যতম প্রচারের মাধ্যম হয়ে উঠেছে এই সমস্ত অ্যাপ। এবার তার জন্য অর্থ ধার্য করছে মার্ক জুকেরবার্গের সংস্থা। এতদিন বিনামূল্যে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে অভ্যস্ত ব্যবহারকারীদের স্ক্রিনে ‘পেড সাবস্ক্রিপশন’ নেওয়ার জন্য বার্তা ফুটে উঠছে। শুধু হোয়াটসঅ্যাপ নয়, মার্ক জুকারবার্গের কোম্পানি ‘মেটা’ বিশ্বজুড়ে তাদের সবক’টি প্ল্যাটফর্মের জন্যই ‘পেড সাবস্ক্রিপশন’ (Meta Paid Subscription) বা টাকা দিয়ে ‘প্রিমিয়াম ফিচার’ ব্যবহারের সুবিধা চালু করেছে।

Advertisement

ভারতে আপাতত প্রতি মাসে ৯৯ টাকার বিনিময়ে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম প্লাস এবং ৫০ শতাংশ ছাড়ে হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস ব্যবহার করা যাচ্ছে। জুকেরবার্গের সংস্থার আয়ের প্রধান উৎস ছিল বিজ্ঞাপন। মেটা সংস্থার গত বছরের আয়ের প্রায় ৯৭.৬ শতাংশ এসেছে শুধু বিজ্ঞাপন থেকে। কিন্তু এআই-এর যুগে শুধু বিজ্ঞাপনের ভরসায় এত বিশাল খরচ সামলানো সম্ভব নয়। তাই মেটা চাইছে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সরাসরি একটা স্থায়ী আয়ের পথ তৈরি করতে। তাছাড়া গোটা অ্যাপ এবং ওয়েব প্ল্যাটফর্ম চালাতে সংস্থার বর্তমানে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়েছে এবং হচ্ছে কৃত্রিম মেধা বা এআই ব্যবহারের পিছনে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.