Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Parenting Tips

মুখে মুখে তর্ক করছে একরত্তি? শিশুকে সম্মানের গুরুত্ব বোঝাতে মাথা ঠান্ডা রেখেই এই ৪ জবাব দিন

এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকের লক্ষ্য হওয়া উচিত, শাস্তি দেওয়ার বদলে শিশুকে ব্যক্তিগত সীমানা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সম্মানের গুরুত্ব শেখানো।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ২০:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ২০:১৬

options
link
মুখে মুখে তর্ক করছে একরত্তি? শিশুকে সম্মানের গুরুত্ব বোঝাতে মাথা ঠান্ডা রেখেই এই ৪ জবাব দিন zoom
এই পরিস্থিতিতে শান্ত থাকতে হবে অভিভাবককেই।
Advertisement

বড় হওয়ার এক পর্যায়ে আচমকাই মুখে মুখে জবাব দিতে শেখে শিশুরা। কখনও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য, কখনও রূঢ় কথা, আবার কখনও নিছক অবাধ্যতা। এই ধরনের আচরণে বাবা-মা বুঝে উঠতে পারেন না, কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানালে পরিস্থিতি সামলানো যাবে। ভালো কথায় বললে কাজ হয় না, আর খারাপ কথা বললে হীতে বিপরীত হয়।

বর্তমান সময়ের পেরেন্টিং বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে রেগে না গিয়ে শান্ত ও বুদ্ধিদীপ্তভাবে জবাব দেওয়া উচিত। খুব বিরক্ত লাগলেও এমন কোনও কথা না বলাই ভালো যা উলটে শিশুর সম্মানে আঘাত হানে। এমন পরিস্থিতিতে লক্ষ্য হওয়া উচিত, শাস্তি দেওয়ার বদলে শিশুকে ব্যক্তিগত সীমানা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সম্মানের গুরুত্ব শেখানো (Parenting Tips)।

Advertisement

Parenting tips for handling children who talk back

১। “তুমি যখন সম্মান দিয়ে কথা বলতে পারবে, তখন আমি শুনব।”
বাচ্চারা অনেক ক্ষেত্রেই মনোযোগ পাওয়ার জন্য এমনটা করে থাকে। উক্ত কথাটি যদি যথেষ্ট ভদ্রভাবে বলা যায় তাকে, তবে প্রথম প্রথম কথা না শুনলেও আসতে আসতে শান্ত হয়ে আসবে শিশুটি। অভিভাবক রেগে না গিয়ে শান্ত থাকলে সন্তানও বুঝতে শেখে যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার অর্থ চিৎকার করা নয়।

২। “কথাটা শুনতে একটু অভদ্র লাগল। আর একবার বলবে?”
নরম কিন্তু দৃঢ় এই জবাব শিশুকে তার কথার ধরন বুঝতে সাহায্য করে, তাকে ‘খারাপ’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয় না এতে। দীর্ঘ বক্তৃতার বদলে এই ধরনের কথা তার কানে পৌঁছয় সহজে। অনেক সময় রাগের মুহূর্তে শিশুরা বুঝতেই পারে না যে তাদের কথার ধরন অন্যের কানে কেমন শুনতে লাগছে।

৩। “তোমার রাগ হতেই পারে, কিন্তু বড়দের সঙ্গে অসম্মানজনকভাবে কথা বলা যাবে না।”
এই কথাটি শিশুকে অনুভূতি আর আচরণের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে শেখাবে। প্রথম প্রথম এই কথা তার মাথায় না ঢুকলেও রাগ ঠান্ডা হলে এক সময় সে বুঝতে পারবে। রাগ, দুঃখ বা হতাশা প্রকাশ করা অত্যন্ত স্বাভাবিক, কিন্তু তার জন্য কাউকে অসম্মান করার অধিকার তৈরি হয় না কারওরই। এভাবে সন্তান শেখে আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সহানুভূতি।

Experts share tips for managing children’s backtalk

৪। “আমরা দু’জনেই শান্ত হলে না-হয় এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলব।”
উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের তরফ থেকেই মুখে মুখে তর্ক বাড়তে পারে। এখানে ‘আমি’ নয়, ‘আমরা’ বলা গুরুত্বপূর্ণ। এতে শিশু বুঝতে পারে যে, তার মতোই বড়দেরও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা হয়। তবে উলটোদিকের মানুষটির প্রতি ভালোবাসা থাকলে, রাগ দমন করে আরও একবার ভালো করে বোঝানোর চেষ্টা তৈরি হয় আপনা থেকেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.