Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Fighting gender stereotypes

সন্তানকে দিন সুস্থ পরিবেশ, এই বিষয়গুলি শিখিয়ে বাড়িতেই গড়ে তুলুন লিঙ্গ সাম্যের ভিত

শিশুর মনকে ছেলে কিংবা মেয়ের তফাতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষ হিসেবে ভাবতে শেখান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০, ২৩:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০, ২৩:০৫

options
link
সন্তানকে দিন সুস্থ পরিবেশ, এই বিষয়গুলি শিখিয়ে বাড়িতেই গড়ে তুলুন লিঙ্গ সাম্যের ভিত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মক্ষেত্র, মানুষের শিক্ষার কোনও শেষ নেই। আদি-অনন্ত কাল ধরে তা বহমান। আর এই শিক্ষার শুরু বাড়ি থেকে। পরিবারই শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার ভিত গড়ে। সেখান থেকেই লিঙ্গ বৈষম্যের (Gender Stereotypes) বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সূত্রপাত করা যায়। আপনার শিশুর (Child) মনকে ছেলে কিংবা মেয়ের তফাতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষ হিসেবে ভাবতে শেখান। এর জন্য প্রথম থেকেই কিছু পদক্ষেপ নিন।

১) ও মা! ছেলেরা আবার মেয়েদের মতো কাঁদে নাকি? এই ধরনের মন্তব্য নিজে যেমন করবেন না কাউকে করতেও দেবেন না। প্রত্যেক মানুষের মনে আঘাত লাগলে তার প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার রয়েছে। ছেলে মানেই শক্তির প্রতীক আর মেয়ে মানেই কোমল, এই ধারণা এক্কেবারেই ভুল।

Advertisement

২) পুতুল খেলা মোটেও ছেলেদের খেলা নয়। কেন? মেয়েরাই শুধু পুতুল খেলে। এমন চিন্তাধারা একেবারে প্রশ্রয় দেবেন না। মেয়েরা (Girl Child) যেমন ক্রিকেট, ফুটবল খেলতে পারে, তেমনই ছেলেরাও (Boy Child) পুতুল খেলতে পারে। খেলায় কোনওদিন লিঙ্গ বৈষম্য থাকে না। তা মনকে নির্মল আনন্দ দেয়। শিশুর জন্য খেলনা (Toys) কেনার সময়ও তা মাথায় রাখবেন।

[আরও পড়ুন: প্রেম প্রত্যাখ্যান করা মোটেও সহজ কাজ নয়, জেনে রাখুন এই উপায়গুলি]

৩) শিশুর মনে লিঙ্গ সম্পর্কিত প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। মেয়ে ও ছেলের শারীরিক গঠনে কী তফাত থাকে? এই প্রশ্ন আপনার শিশু করলে তা এড়িয়ে যাবেন না। তার উত্তর খোলা মনে দিন। তাকেও স্বাভাবিকভাবে ভাবতে শেখান।

৪) কখনও কখনও আপনার মেয়ে বলতে পারে সে ছেলেদের সঙ্গে খেলতে চায় না। আবার উলটো ক্ষেত্রে ছেলে শিশু বলতে পারে সে মেয়েদের সঙ্গে খেলতে চায় না। এক্ষেত্রে প্রথমে তাদের কথা মন দিয়ে শুনতে হবে। তারপর খুব ধৈর্য ধরে তাঁদের বোঝাতে হবে বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে ছেলে ও মেয়ের তফাত হয় না। বন্ধু শুধুমাত্র বন্ধুই হয়।

এভাবেই ভবিষ্যতের কারিগরদের গড়ে তুলুন। সুস্থ সমাজে তাদের স্বাভাবিকভাবে ভাবতে শেখান।

[আরও পড়ুন: প্রথম ভারতীয় তারকা হিসেবে অমিতাভের কণ্ঠ শোনা যাবে আমাজন অ্যালেক্সায়]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.