১০ বৈশাখ  ১৪২৬  বুধবার ২৪ এপ্রিল ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাতবিরেতে তাঁরাই ভরসা৷ দিনদুপুরে তাঁরাই ত্রাতা৷ ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে তাঁরাই মৃতপ্রায়কে ফিরিয়ে দিতে পারেন প্রাণ৷ আবার অভিযোগের কাঠগড়াতেও তাঁরা৷ কখনও অর্থলোভী বদনাম তো কখনও স্বার্থপরের দুর্নাম৷ চিকিৎসকদের নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত সমাজ৷ তবু তাঁরা না থাকলে আমরা অসহায়৷ তাঁদের পরিশ্রম, ডেডিকেশনের উপর দ্বিধাহীন ভরসা করা ছাড়া আমাদের উপায় নেই৷ আস্থার সাঁকো তাই কখনও-সখনও নড়লেও ডাক্তার-রোগীর সম্পর্কের ভিত আজও মজবুত৷ সেই চিকিৎসকদেরই সম্মান দিতে এগিয়ে এসেছে ‘সংবাদ প্রতিদিন’৷ ‘চিকিৎসাজ্যোতি সম্মান’ তাই ডাক্তারবাবুদের কুর্নিশ জানানোর প্ল্যাটফর্ম৷

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শশী ডাক্তার শুধু কাল্পনিক নন৷ পুতুলনাচের ইতিকথায় এরকম বহু শশী ডাক্তারের দেখা মেলে, যাঁরা সবকিছু বাজি রেখে রোগীর জন্য জীবন লড়িয়ে দেন৷ আবার অসম্মানও কম পান না৷ বিধানচন্দ্র রায়ের একটি পেরেকের কাহিনী তো যেমন বাস্তব তেমনই ভোলার নয়৷ তবু এটাই কি সব! যদি হত, তবে জীবনমুখী গায়ক ডাক্তারদের নিয়ে গান বাঁধতে পারতেন না৷ বলে উঠতেন না, ‘তোমারও অসুখ হবে, তোমারই দেখানো পথে, যদি তোমাকেই দেখে কোনও ডাক্তার!’ এই ‘দেখানো পথ’ নিয়েই যত গোলমাল৷ রোগীদের অভিযোগ, স্বার্থের কারণে আজ নাকি ডাক্তারবাবুরা অনেকসময়ই সেই পুরনো ভূমিকাতে নেই৷ রোগীর অসহায়তাও এখন মূলধন৷ তা ঘিরেই চলছে ব্যবসা৷ সে অভিযোগ হয়তো সর্বোত অসত্য নয়৷ তবে অভিযোগই একমাত্র সত্য নয়৷ বিপুল সংখ্যাক মানুষের পাশে চিকিৎসকরা যদি তাঁদের সর্বস্ব দিয়ে না থাকতেন তাহলে হয়তো দিনের আলো থেকে দেখা বঞ্চিত হতেন অনেকেই৷ কিন্তু সে সৌভাগ্য বা কৃতজ্ঞতাবোধ থাকে ক’জনের? সাম্প্রতিক অতীতে দেখা যাচ্ছে তুচ্ছ কারণে হেনস্তা করা হচ্ছে চিকিৎসকদের৷ এমনকী মারধর, বিষ্ঠা মাখানোর মতো নক্ক্যারজনক ঘটনাও ঘটেছে৷ এমনকী অনেক চিকিৎসক পেশা ছাড়ার মতোও ভাবনাও ভেবেছেন৷ চিকিৎসকদের মধ্যেও যেমন তারতম্য আছে, তেমন তাঁদের প্রতি মানুষের সামাজিক দায়িত্ববোধ আছে৷ সব চিকিৎসককে এক ছাঁচে ফেলা অমূলক৷

ডাক্তার-রোগী সম্পর্কের সেই মাধুর্য ঝালিয়ে নিতেই উদ্যোগ সংবাদ প্রতিদিন-এর৷ আপামর মানুষের হয়ে চিকিৎসকদের কুর্নিশ জানানোর প্ল্যাটফর্ম ‘চিকিৎসাজ্যোতি সম্মান’৷ ২৮ জুন চিকিৎসক দিবসের প্রাক্কালে এই মঞ্চ থেকেই মানুষ যেন ডাক্তারবাবুদের জানিয়ে দেবেন, তাঁদের ঋণ কেউ ভোলেনি৷ এই অনুষ্ঠানের নিবেদক ‘জেআইএস গ্রুপ’৷ সংস্থার চেয়ারম্যান তরণজিৎ সিংয়ের কথায়, “নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাওয়া চিকিৎসকদের দায়িত্ব, মূল্যবোধকে সম্মানিত করতে ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর এই অভিনব প্রয়াস সত্যিই প্রশংসনীয়৷” ‘চিকিৎসাজ্যোতি সম্মান’-এর প্রধান সহযোগিতায় রয়েছে ‘আরবানা’, ‘আর্ট এজ নিউজ’৷

২৮ তারিখ হো চি মিন সরণীর আইসিসিআর-এর মঞ্চে মোট দশজন চিকিৎসককে সম্মান জানানো হবে৷ তাঁদের বাছাই করেছে পাঁচজন বিশিষ্ট চিকিৎসকের প্যানেল। শুধু পুরস্কারই নয়, পাশাপশি কবিতা, গান, যন্ত্রসংঙ্গীত পরিবেশনের ভূমিকাতেও থাকবেন বিশিষ্টরা৷ প্রচার সহযোগী ‘আর প্লাস’, ‘পিডি’ ও ‘ফিভার ১০৪’৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং