সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে ‘জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে, তিন বিধাতা নিয়ে’। অর্থাৎ মানুষের জীবনের এই তিন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উপর মানুষের কোনও হাত নেই। বিধাতাই তা নিয়ন্ত্রণ করেন। এখন প্রশ্ন উঠছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কি সেই হিসাব গুলিয়ে দেবে? কারণ ডেনমার্কের একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছেন, তারা ‘ডেথ ক্যালকুলেটার’ তৈরি করেছেন। এর মাধ্যমে জীবদ্দশাতেই মানুষ জানতে পারবেন, কবে কখন তাঁর মৃত্যু হবে। সত্যিই এমন হিসেব দেওয়া সম্ভব?
সমাজমাধ্যম থেকে শুরু করে গবেষণাগার, বহু ক্ষেত্রেই যে এআই চোখের নিমেষে অসম্ভবকে সম্ভব করছে, তা সকলের জানা। এমনকী অত্যাধুনিক অ্যাপটি অদূর ভবিষ্যতে যে মানুষের বেকারত্বের মতো সংকট আনতে পারে, এমন আশঙ্কাও করছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। যেহেতু মানুষের কাজ সহজে করে ফেলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। ডেনমার্কের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের দাবি, চ্যাটজিপিটি-তে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, তা ‘ডেথ ক্যালকুলেটর’-এও ব্যবহার করেছেন বিজ্ঞানীরা। কীভাবে যমের দুয়ারের ডাক জানাবে মরণ গণনাযন্ত্র?
[আরও পড়ুন: কাজ ফুরোলেই… অভিমানে পুরস্কারের টাকা ফিরিয়ে দিলেন উত্তরকাশীর ‘ত্রাতা’ র্যাট হোল মাইনাররা]
ব্যক্তির উপার্জন, কাজের ধরন, বাসস্থান, শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একাধিক প্রশ্ন করা হবে। যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য বিশ্লেষণ করে মৃত্যুর সম্ভাব্য দিন নির্ধারণ করবে প্রযুক্তি। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই প্রযুক্তি ৭৮ শতাংশ সঠিক পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। জানা গিয়েছে দীর্ঘ গবেষণার ফসল এই ডেথ ক্যালকুলেটর। ২০০৮ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত নয়া যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। ১২ বছরে অন্তত ৬০ লক্ষ ডেনমার্কের নাগরিকের উপর যন্ত্রটি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। তার পরেই মরণ গণনাযন্ত্র নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা। অনেকেই বলছেন, এমন যন্ত্র বাজারে এলে বেকার হবেন জ্যোতিষীরা।
[আরও পড়ুন: দুয়ারে পুরসভা! নতুন বছরে বয়স্ক নাগরিকদের জন্য চালু ‘নগরবন্ধু’ স্কিম]
সর্বশেষ খবর
-
অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা, উত্তর থেকে দক্ষিণের একাধিক রাস্তা জলমগ্ন!
-
ভয়াবহ ভূমিকম্পে কলম্বিয়ায় হাহাকার, তাসের ঘরের মতো ভাঙছে বাড়ি! মৃত অন্তত ৭৭
-
এখনই চূড়ান্ত নয়, ওবিসি জটিলতায় একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত!
-
টানা অনশনে শারীরিক অবস্থার অবনতি! হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ঝাড়খণ্ডের ‘ওয়াংচুক’কে
-
চিনা মাঞ্জায় গলা কাটল বাইক আরোহী পুলিশ অফিসারের! মা ফ্লাইওভারে বাড়ল টহলদারি