Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
আরোগ্য সেতু

আরোগ্য সেতুর সাহায্যে চিহ্নিত ৩০০টি নতুন হটস্পট! ঘোষণা নীতি আয়োগের প্রধানের

অ্যাপের সাহায্যে দ্রুত ৬ লক্ষের বেশি সংক্রমিতদের কাছে পৌছতে পেরেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২০, ১২:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২০, ১২:৫৭

options
link
আরোগ্য সেতুর সাহায্যে চিহ্নিত ৩০০টি নতুন হটস্পট! ঘোষণা নীতি আয়োগের প্রধানের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরোগ্য সেতু অ্যাপের সাহায্যে দেশের মধ্যে চিহ্নিত করা গেল ৬৫০ টি হস্টস্পট ( Hotspot)। চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে প্রায় ৩০০ টি ভয়াবহ সংক্রমণের এলাকা। এই অ্যাপ না থাকলে যা খুঁজে বের করাই যেত না। দেশের প্রায় ৯৬ লক্ষ মানুষের মোবাইলে এই অ্যাপটি রয়েছে।

২ এপ্রিল কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে ‘আরোগ্য সেতু‘ একটি মোবাইলের উদ্বোধন করা হয়। করোনা আবহে প্রতিটি দেশবাসীকে নিজেদের স্মার্ট ফোনে এই অ্যাপ রাখার পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় সরকার। একজন ব্যক্তি যাদের সংস্পর্ষে আসছেন তাঁরা সংক্রমিতত কিনা তা এই অ্যাপের সাহায্যে জানা যাবে বলেই জানানো হয়। কোনও ব্যক্তির মোবাইলে এই অ্যাপ থাকলে তিনি তৎখনাত জানতে পারবেন তার পরিবারের কেউ সংক্রমিত কিনা। এভাবেই এলাকার প্রতিটি মানুষ নিস্তার পেতে পারেন সংক্রমণের হাত থেকে। এখনও পর্যন্ত দেশের প্রায় ৯৬ লক্ষ মানুষ এই অ্যাপটি তাদের মোবাইলে ডাউনলোড করেছেন। ফলে তাদাের সাহায্যে ৬৫০ টি হস্টস্পট ও ৩০০ টি ভায়বহ সংক্রমণের এলাকাকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। ‘আরোগ্য সেতু’ অ্যাপটি দেশের প্রতিটি মানুষকে মোবাইলে রাখতে বলার অন্য কারম গুলি হল- জানা যাবে কাদের করোনা পরীক্ষা করা প্রয়োজনও কোন কোনও এলাকায় করো না পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ১৩০ কোটি ভারতীয়ের মধ্যে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে করোনা সংক্রমিতকে খুঁজে বের করতে এই অ্যাপ সঠিকভাবে সহযোগিতা করবে বলেই বিশেষজ্ঞদের মত। তাই স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারী প্রতিটি ভারতীয়য়কে মোবাইলে এই অ্যাপ রাখা আবশ্যিক করে দেওয়া হয়। নীতি আয়োগের উচ্চরপদস্থ আধিকারিক অমিতাভ কান্ত জানান, “মহারাষ্ট্রের প্রায় ১৮টি জেলার মধ্যে ৬০টি হটস্পটকে চিহ্নিত করা হয়েছে। দেশের মধ্যে এভাবে ১৩০ টি স্থানকেও সংক্রমণের এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরে স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান অ্যাপের সাহায্যে চিহ্নিত এলাকাগুলি বাস্তবেই হটস্পট। সেখানে তোড়জোড় করে চিকিৎসা ও করোনা পরীক্ষা করা শুরু হয়েছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:লকডাউনে বাড়িতে বসে একঘেয়েমি? মনোবল বাড়াতে ঘরেই আসছে সায়েন্স সিটি]

নীতি আয়োগের প্রধান বলেন, “এই অ্যাপের সাহায্যে প্রায় ৬৯ লক্ষ লোক নিজেরা সংক্রমিত কিনা তা জানতে পেরেছেন। ফলে দ্রুত তারা স্বাস্থ্যকর্মীদের সাহায্যে চিকিৎসা শুরু করাতে সক্ষম হয়েছেন। অ্যাপের সাহায্যে ৭০ জনের ও বেশি স্বাস্থ্যকর্মীরা ৬ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের কাছে পৌঁছতে পেরেছেন।” উদ্বোধনের প্রতণ দিন থেকেই এই অ্যাপ নিয়ে বিরোধীদের মনে প্রথম থেকেই জনসাধারণের ব্যক্তিগত তথ্য চুরির শঙ্কা ছিল। তা নিয়ে জলঘোলা হয়েছেও বিস্তর। তবে এই অ্যাপ যে সত্যি করোনা আবহে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রধান হাতিয়ার তারই প্রমাণ দিলেন নীতি আয়োগের কর্তারা।

[আরও পড়ুন:কথা রাখলেন, সুস্থ হয়ে করোনা চিকিৎসার জন্যে প্লাজমা দান করলেন জোয়া মোরানি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.