Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ধোনি

ইন্টারনেটে ধোনিকে খুঁজছেন! আপনার জন্য বিপদ অপেক্ষা করছে না তো?

শচীনকে খুঁজলেও ওঁৎ পেতে রয়েছে বিপদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৯, ১৭:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৯, ১৭:৩৩

options
link
ইন্টারনেটে ধোনিকে খুঁজছেন! আপনার জন্য বিপদ অপেক্ষা করছে না তো? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গুগল সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে ‘ধোনি’ লিখে সার্চ করেছেন। সাবধান। আসতে পারে বিপদ। আপনার কম্পিউটর, ফোন বা ল্যাপটপে থাবা বসাতে পারে ভাইরাস। এমনই জানাচ্ছে ম্যাকাফে (McAfee)। অ্যান্টি ভাইরাস প্রস্তুতকারী এই সংস্থা সম্প্রতি বিপজ্জনক সেলেব্রিটিদের একটি তালিকা তৈরি করেছে। তাতে রয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনি, সানি লিওনের মতো সেলিব্রিটির নাম। তবে ধোনির নাম রয়েছে শীর্ষে।

মঙ্গলবার ম্যাকাফে সবচেয়ে বিপজ্জনক সেলিব্রিটিদের তালিকা প্রকাশ করেছে। ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই তালিকায় ধোনি ছাড়া রয়েছে শচীন তেণ্ডুলকরের নাম। তাঁর নাম রয়েছে দ্বিতীয় স্থানেই। ধোনির ঠিক পরে। বাকি যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রী। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ‘বিগ বস ৮’-এর বিজেতা গৌতম গুলাটি। এছাড়াও রয়েছেন সানি লিওন, শ্রদ্ধা কাপুর, রাধিকা আপ্টে, ব়্যাপার বাদশার মতো সেলেবদের নাম। রয়েছেন শাটলার পিভি সিন্ধু ও ক্রিকেটার হরমনপ্রীত কউর। ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডের নাম রয়েছে দশম স্থানে।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: কয়লা চুরি রুখতে এবার প্রযুক্তিতে ভরসা ইসিএলের, চালু নতুন অ্যাপ ]

ম্যাকাফে ইন্ডিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভেঙ্কট কৃষ্ণপুর বলেছেন, সাবস্ক্রিপশন বেসড কনটেন্ট ভারতে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নেটিজেনরা অনেকসময় কোনও বিষয় নিয়ে জানার জন্য পাইরেটেড ও বিনামূল্যের বিষয়বস্তুর উপর ক্লিক করছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ সিনেমা, খেলা বা টেলিভিশন শো। অনেকসময় ছবি দেখার জন্যও নেটিজেনরা অনেক সাইটে ঝুঁকছে। সাইবার অপরাধীরা সেই সুযোগটাই নিচ্ছে।

সমীক্ষা বলছে ২০২০ সালের মধ্যে ভারতীয় যুবক-যুবতীদের গড় বয়স হবে ২৯। এই বয়সের ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করে। কখনও কাজের জন্য, কখনও আবার ব্যক্তিগত ব্যবহারের কারণে। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ পাইরেটেড কপি বা ভিডিও দেখার কারণে অজান্তেই ব্যবহারকারীর তথ্য চলে যাচ্ছে হ্যাপারদের হাতে। সেই সুযোগে তারা কম্পিউটর, মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে পাঠিয়ে দিচ্ছে ভাইরাস। তবে এর হাতে মুক্তির উপায় এখনও খোলসা করেনি অভিজ্ঞমহল।

[ আরও পড়ুন: এবার সোশ্যাল মিডিয়াতেও নজরদারি! ৩ মাসের মধ্যে আইন সংশোধনের উদ্যোগ কেন্দ্রের ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.