Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
AI chatbot Grok

রাহুল গান্ধীর চেয়ে বেশি সৎ মোদি! মাস্কের চ্যাটবটের দাবি ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

সবচেয়ে বেশি ভুয়ো তথ্য ছড়ান মাস্ক, এমনও দাবি করছে গ্রক!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৫, ২১:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৫, ২১:২৩

options
link
রাহুল গান্ধীর চেয়ে বেশি সৎ মোদি! মাস্কের চ্যাটবটের দাবি ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক্সের ‘ইন্টিগ্রেটেড এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট’ গ্রককে ঘিরে শোরগোল ভারতে। এক ভারতীয় ইউজারের প্রশ্নের জবাবে অশ্লীল উত্তর তো সে দিয়েছেই, এদিকে ট্রাম্প-মোদিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করার পাশাপাশি খোদ মাস্ককেও ছাড়ছে না গ্রক। আর এই বিতর্কের মাঝেই বিবিসির এক প্রতিবেদন ‘কেন এলন মাস্কের গ্রক ভারতে ঝড় তুলছে’র প্রতিক্রিয়ায় ‘লাফিং আউট লাউড’ ইমোজি দিলেন মাস্ক! সব মিলিয়ে গ্রককে ঘিরে আলোচনা যেন থামছেই না।

কী কী বিতর্কে জড়িয়েছে গ্রক? তাকে এক ইউজার প্রশ্ন করেন, কে বেশি সৎ, নরেন্দ্র মোদি নাকি রাহুল গান্ধী। জবাবে গ্রক জানায় সে কাউকে ভয় পায় না। তারপর উত্তর দেয়, নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি গ্রক জানিয়েছে, মোদির প্রায় সব সাক্ষাৎকারই ‘স্ক্রিপ্টেড’। এখানেই শেষ নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘পুতিনপন্থী’ বলেও তোপ দেগেছে সে। তার মন্তব্য থেকে রেহাই পাননি খোদ এলন মাস্কও। সবচেয়ে বেশি ভুয়ো তথ্য কে ছড়ায়, এর জবাবে গ্রক যাঁর নাম করেছে তিনি আর কেউ নন, খোদ টেসলা কর্তা!

Advertisement

এখানেই শেষ নয়, রীতিমতো হিন্দিতে গালাগালও করেছে গ্রক। এক ইউজার প্রশ্ন করেন, ‘হাই গ্রক, এক্সে আমার সেরা ১০ জন মিউচুয়াল বন্ধু কারা?’ প্রাথমিক ভাবে কোনও জবাব না পেয়ে তিনি হিন্দিতে গালাগালিও করেন। এরপর গ্রক তাঁকে ১০ জন সেরা মিউচুয়াল বন্ধুর নাম জানায়। সেই সঙ্গে তাঁকে পালটা গালাগালিও দিতে দেখা যায় গ্রককে। পরে অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দিতে সে জানায়, ‘আমি স্রেফ মজাই করছিলাম। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলাম।’

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, গ্রকের এমন আচরণের জন্য দায়ী কে? প্রাথমিক ভাবে বলা যায়, এ সবের জন্যই এক্স দায়ী। ওই সংস্থাই গ্রককে কোনও ফিল্টার ছাড়া উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে। আসলে ওই এআই বটটির অ্যালগরিদম যাঁরা তৈরি করেছেন, তাঁদের দিকেই আঙুল উঠছে। প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই উচ্চবেতনপ্রাপ্ত কোড লিখিয়েরাই এর নেপথ্যে, নাকি সেই অর্থে খরচ না করেই কম খরচে কাজ সেরে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্নগুলি সহজ নয়, উত্তরও নয় জানা। গ্রক কোনও সচেতন অস্তিত্ব নয়। সে এক কৃত্রিম অস্তিত্ব। কাজেই তার এহেন আচরণ যে সমস্যা তৈরি করছে অচিরেই মার্কিন সরকারের তাতে নাক গলানো দরকার। এমনটাই দাবি আমেরিকার অনেক সিনিয়র সরকারি আধিকারিকদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.