১ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফেসবুকে কোনও বিজ্ঞাপন দেখে তার প্রতি আকৃষ্ট হতেই পারেন। কারণ এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে যা মানুষ দিনরাত সেখানে ঘাড় গুজে পড়ে রয়েছে। এমনি এমনি তো আর এর জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া হয়নি। কিন্তু সব বিজ্ঞাপনই যে সত্যি তা তো নয়। জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বও বেড়েছে ফেসবুকের। তাই বিজ্ঞাপন থেকে খবর, সবকিছুরই সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

[আরও পড়ুন: ফেসবুকে কোনও পোস্টে ভিডিও প্লে বোতাম দেখলেই ক্লিক করবেন না]

অনেক সময় ফেসবুকে এমন কিছু বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে পড়ে যা ক্লিক করার পর দেখা যায় সেখানে যা তথ্য রয়েছে, তা আসলে ভুয়ো। থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা সেই সমস্ত বিজ্ঞাপনগুলি ভুয়ো বলে চিহ্নিত করে। এরপরও ফেসবুকের কোনও পেজ যদি বারবার ভুয়ো বিজ্ঞাপন পোস্ট করতে থাকে, সেক্ষেত্রে তাদের ব্লক করে দেওয়া হয়। অর্থাৎ চাইলেও তারা ভুয়ো বিজ্ঞাপন পোস্ট করে আর মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না। মার্ক জুকারবার্গের কোম্পানির এই কড়াকড়ির পর অনেকটাই কমেছে ভুয়ো বিজ্ঞাপনের সংখ্যা। মিথ্যে, অবাস্তব তথ্য দিয়ে অর্থ উপার্জনের পথ বন্ধ করা অনেকটাই সম্ভব হয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, অনেক সময় ফেসবুক থেকে বিজ্ঞাপন পেতেও অনেক পেজ নানা ভুয়ো খবর ছড়িয়ে থাকে। কিন্তু থার্ড পার্টি ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা যদি সেই সমস্ত পেজগুলিকে চিহ্নিত করে ফেসবুকের সামনে তুলে ধরে, তবে ফেসবুকের তরফেও তাদের আর বিজ্ঞাপন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে যদি পেজগুলি ভুয়ো খবর ছড়ানো বন্ধ করে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারে, সেক্ষেত্রে ফের তাদের সুযোগ দেওয়া হয়। আসলে ফেসবুক চায় না, কোনও ভুয়ো খবর সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলুক। আর সেই কারণেই এ বিষয়ে কড়া হচ্ছে তারা। তাছাড়া নিজেদের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেও সদা সচেষ্ট জুকারবার্ক অ্যান্ড কোং। ভুল পথে অর্থ উপার্জনের পথ বন্ধ করে, মানুষকে ভুয়ো খবরের বিষয়ে আরও সতর্ক করে দিনে দিনে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়িয়ে চলেছে এই সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম।

[আরও পড়ুন: সোশ্যাল সাইটে নগ্নতা রুখতে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডে বড়সড় বদল ফেসবুকের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং