BREAKING NEWS

২৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

মোবাইলে ব্যাংকিং অ্যাপ, বড়সড় বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 26, 2018 9:40 am|    Updated: October 26, 2018 9:40 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাংকে যাওয়া একেবারেই নাপসন্দ। বাড়ির কম্পিউটার কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং-এ স্বচ্ছন্দ আপনি। এবং নিয়মিত লেনদেন চালান তাতেই। তাহলে আপনার জন্য হাজির নতুন বিপদ। একটি তথ্যসুরক্ষা সংস্থার রিপোর্টে সামনে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, গুগল অ্যাপে মিলছে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ভুয়ো অ্যাপ। যে ব্যাংকগুলির ভুয়ো অ্যাপ গুগলে পাওয়া যাচ্ছে, সেই ব্যাংকগুলি হল, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাংক অফ বরোদা, অ্যাক্সিস ব্যাংক, আইসিআইসিআই, ইয়েস ব্যাংক, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংক এবং সিটি ব্যাংক।

[অনলাইনে বিপত্তি, মোবাইলের বদলে হাতে এল ভাঙা পাওয়ার ব্যাংক]

গুগলে যে ভুয়ো অ্যাপগুলি রয়েছে, তা দেখতে অবিকল মূল ব্যাংকের অ্যাপের মতনই। ফলে গ্রাহকের পক্ষে সহজে বোঝা সম্ভব নয়, কোনটি আসল অ্যাপ আর কোনটা নকল। ফলে নিজের অজান্তেই নকল অ্যাপ নিজেদের মোবাইলে ডাউনলোড করছেন অনেকে। আর রেজিস্ট্রেশনের নামে মোবাইলের ব্যক্তিগত তথ্য সহ সমস্ত ব্যাংকিং তথ্যও চলে যাচ্ছে জালিয়াতদের হাতে। আর আপনি পড়ছেন বিপদের মুখে, সে আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ভুয়ো অ্যাপ নতুন কিছু নয়। কারণ, এখনও পর্যন্ত ভুয়ো অ্যাপ আটকানোর ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। অদূর ভবিষ্যতেও অ্যান্ড্রয়েডে নকল অ্যাপ আটকানো সম্ভব হবে কি না, এ নিয়ে খুব একটা আশার আলো দেখছেন না কেউই। তাই আপাতত মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং করার আগে অতিরিক্ত সতর্কতাই গ্রাহকদের সামনে ফাঁদ থেকে বাঁচার একমাত্র রাস্তা।

সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর একটি রিপোর্টে উল্লিখিত ব্যাংকগুলির অনেকের কাছেই এই ধরনের ভুয়ো অ্যাপ সংক্রান্ত কোনও তথ্য নেই বলে জানানো হয়েছে। যদিও বেশ কয়েকটি ব্যাংক এর মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে অন্তবর্তী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। জানানো হয়েছে, সার্ট-ইন, অর্থাৎ কম্পিউটার সুরক্ষা সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকেও। ইয়েস ব্যাংকের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁরা ইতিমধ্যেই নিজস্ব সাইবার দুর্নীতি বিভাগকে দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। যদিও স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, অ্যাক্সিস ব্যাংক এবং আইসিআইসিআই-এর তরফে প্রাথমিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ওই তথ্যসুরক্ষা সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, বিভিন্ন পুরস্কারের লোভ দেখিয়ে গ্রাহকদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করতে প্রলুব্ধ করা হয়। অনেকে এটিএম থেকে টাকা তুলে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার মতো প্রস্তাবও দিয়ে থাকে। এছাড়া বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার মতো অফারের মধ্যেও লুকিয়ে থাকে জালিয়াতির ফাঁদ। তথ্যসুরক্ষা সংস্থাটির গবেষকদের হিসেবে, এভাবেই গ্রাহকদের অনেক তথ্য পৌঁছেছে জালিয়াতদের হাতে। আগাম সতর্কতা না নিলে যে কোনও দিন ঘনিয়ে আসতে পারে বিপদ।

[সিলিন্ডার নাড়ালেই বেরোচ্ছে জল! অবাক কাণ্ড রানাঘাটে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement