সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিমানযাত্রা মানেই ইন্টারনেট ডেটার সঙ্গে সম্পর্কের বিচ্ছেদ। বিমানে ওঠার পর আর নামার আগে মোবাইল বা ল্যাপটপে ভিডিও দেখা কিংবা গেম খেলা গেলেও অনলাইনে কোনও কাজ করা যায় না। তবে এবার এই ব্যাঘাতের ইতি। কারণ এবার থেকে বিমানে বসেই যাত্রীরা পাবেন ওয়াই-ফাই পরিষেবা।
আকাশপথে ওয়াই-ফাই পরিষেবা চালু করার দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালাচ্ছিল বিমান সংস্থাগুলি। কিন্তু নানা কারণে তা বাস্তবে রূপায়িত হচ্ছিল না। অবশেষে এ বিষয়ে সম্মতি দিল কেন্দ্র। তাই এখন আর বিমান সফরেও ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হবে না যাত্রীদের।
[আরও পড়ুন: শীঘ্রই পাকিস্তানে বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক-টুইটার-গুগল পরিষেবা! কেন জানেন?]
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের নিয়ম অনুযায়ী, বিমানে কর্তব্যরত পাইলটের অনুমতি নিয়ে যাত্রীরা এখন থেকে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, স্মার্টওয়াচ, ই-রিডার ইত্যাদি ডিভাইসে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বিমানটি যে ওয়াই-ফাই পরিষেবা দিতে সক্ষম, সে বিষয়ে ডিরেক্টর-জেনারেলের কাছ থেকে আগেই একটি সংশাপত্র নিয়ে রাখতে হবে। যাত্রীরা বিমানে সওয়ার হওয়ার পর সমস্ত দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে দরজা খোলা পর্যন্ত পরিষেবা চালু থাকবে। অর্থাৎ সফরের পুরো সময়টাই ওয়াই-ফাইয়ের পরিষেবা উপভোগ করতে পারবেন যাত্রীরা।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ভারতীয় টেলিকম রেগুলেটরি সুপারিশ করেছিল, ভারতীয় বিমানে যাত্রীরা ইন্টারনেট পরিষেবা এবং মোবাইল থেকে ভয়েস কল করার সুবিধা পান, সে বিষয়ে সরকারের অনুমতি দেওয়া উচিত। কিন্তু নানা কারণবশত সেই প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়। শুধু আন্তর্দেশীয়ই নয়, বিদেশ যাওয়ার ফ্লাইটেও ইন্টারনেট ডেটা অফ রাখতে হয় যাত্রীদের। তবে এবার ওয়াই-ফাই পরিষেবা চালু হলে বিমান সফরের সময়টাও যাত্রীরা অনলাইনে সমস্ত কাজ করতে পারবেন।
[আরও পড়ুন: বসছে মুখ চিনিয়ে দেওয়ার ক্যামেরা, স্টেশনে অপরাধী প্রবেশ করলেই হাতেনাতে পাকড়াও]
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ