২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ফ্লিপকার্ট ও আমাজনের মতো জায়ান্ট কিলারদের হাত থেকে বাঁচাতে মাঠে নামল কেন্দ্র। এক্সক্লিউসিভ অফার বা ক্যাশব্যাকের উপরেও কোপ পড়তে চলেছে কেন্দ্রের। ই-কমার্স সংস্থাগুলোকে কেন্দ্র নির্দেশ দিয়েছে, একইধরনের সংস্থা বা লগ্নি সংস্থার থেকে কেনা বা বিক্রি করতে পারবে না তারা। সরকারের পক্ষ থেকে এক নোটিস এনে জানানো হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে নতুন নিয়ম।

[সাংবাদিককে প্রকাশ্যে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার হুমকি, বিতর্কে অসমের নেতা]

বাণিজ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, একই ধরনের ই-কমার্স সংস্থাগুলো অন্য সংস্থা বা নিজেদের লগ্নি সংস্থাকে পণ্য বিক্রি করতে পারবে না। হোলসেল ইউনিটের মাধ্যমে বাজার থেকে পণ্য কিনতে পারবে সংস্থাগুলো। চুক্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট বিক্রেতাকে দিতে পারবে ই-কমার্স সংস্থাগুলো। বিক্রেতারা সরাসরি অন্য সংস্থা বা গ্রাহকদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারবে। ভারতীয় রিটেলার ও ট্রেডার্স সংস্থার পক্ষ থেকে অনলাইন সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। এরপর অক্টোবরে অল ইন্ডিয়া অনলাইন ভেন্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন একটি পিটিশন ফাইল করে। তাদের সমর্থন করে কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া বা সিসিআই। আমাজনের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ, ক্লাউডটেল, আপ্পারিওর মতো সহকারী সংস্থার সিংহভাগ শেয়ার আমাজনের। এই সংস্থাগুলোকে বাজারে ব্যবহার করে তারা। ফ্লিপকার্টের বিরুদ্ধেও গত মে মাসে একই অভিযোগ এনেছিল তারা। সিসিআই ও ভেন্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, সহকারী সংস্থা বা লগ্নি সংস্থাকে ব্যবহার করে বাজারে এক্সক্লিউসিভ অফার আনছে কোম্পানিগুলো। যার ফলে দেশের পাইকারি বাজারের নিয়ম ভাঙছে এই ই-কমার্স সংস্থাগুলো। দামের পার্থক্য তৈরি হচ্ছে। ব্যবসায় মার খাচ্ছে তাঁরা।

[এবার দেশের শেষপ্রান্ত পর্যন্ত যাবে ট্রেন, রেলপথে জুড়ছে রামেশ্বরম ও ধনুষকোড়ি]

অনলাইন শপিংয়ে ক্রেতারা যে ক্যাশব্যাক অফার পায়, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্রের এই নোটিস। যেসব বিশেষ পণ্যের উপর ক্যাশব্যাক দেওয়া হচ্ছে, তার আসল দাম দেখায় না অনলাইন সংস্থাগুলো। সহকারী সংস্থার মাধ্যমে কত দামে কিনছে, ও কীভাবে বিক্রি করছে সেই পদ্ধতিও স্বচ্ছ নয়। বাজারের অন্য বিক্রেতাদের বাধ্য হয়ে একই পণ্য বেশি দামে কিনতে ও বিক্রি করতে হচ্ছে। তার ফলে তাদের ব্যবসা মার খাচ্ছে। ভারতের পাইকারি বাজারে এভাবে আমেরিকান সংস্থার প্রবেশে এতদিন ধরে কোণঠাসা হয়েছিল ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি কতদূর গড়াবে না মাঝপথে বন্ধ হবে, তা নিয়ে কিছুই সুনিশ্চিত নয়। তবে কেন্দ্রের এই নোটিসে কিছুটা হলেও প্রাণে বল পেল দেশের পাইকারি ও ছোট ব্যবসায়ীরা। কেন্দ্রের এই নতুন নোটিস নিয়ে আমাজন ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাদের পর্যবেক্ষণে আছে। ফ্লিপকার্ট যদিও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং