Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

মনের কথা প্রিয়জনকে বলতে ভয়? মুশকিল আসান করবে রোবট ‘ঘটক’

রোবটের ঘটকালিতে মজেছে জাপান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯, ২০:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৯, ২০:০০

options
link
মনের কথা প্রিয়জনকে বলতে ভয়? মুশকিল আসান করবে রোবট ‘ঘটক’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণত মানুষ আবেগপ্রবণ হলেও অনেক সময় কথা বলার ভাষা খুঁজে পায় না। বিপরীত লিঙ্গের মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে সমস্যা নাকি বাড়ে অনেকের। মাঝে মধ্যে প্রিয়জনের চোখের দিকে তাকিয়ে নাকি আগের থেকে সাজিয়ে রাখা কথার মালাও যায় ছিঁড়ে! অনেকে তো আবার কথা বলার সময় প্রিয়জনের চোখের দিকেই তাকান না। দাঁত দিয়ে নখ কাটতে বা এদিক-ওদিক তাকাতে তাকাতে সেরে নেওয়ার চেষ্টা করেন জরুরি আলোচনা।

তবে আরও সমস্যা বাড়ে অচেনা মানুষের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পর্ক স্থাপনের আগে। মনের কথা মুখ দিয়ে প্রকাশ করার ভাষাই খুঁজে পান কেউ কেউ। আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা মানুষ করে ফেলেন ছোটখাট ভুলচুক। ফলে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার আগেই জটিলতার আবর্তে ঘুরপাক খেতে থাকে।

Advertisement

[ডিজিটাল যুগে ‘উন্মুক্ত ভাষা’র জনক মেহেদি হাসান আজও স্বীকৃতি পেলেন না]

এতদিন এই সমস্যা নিয়ে ঘর করতে হলেও এবার সমাধানের রাস্তা দেখাল জাপানের একটি বিবাহ প্রতিষ্ঠান সাইবার এজেন্ট। মনের কথা খোলসা করার জন্য তৈরি করল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবট। মনের কথা প্রিয়জনকে বলতে এবার সাহায্য করবে সে। শার্প নামের এক জাপানি প্রতিষ্ঠান এই রোবট তৈরিতে সাহায্য করেছে সাইবার এজেন্ট নামে ওই ম্যারেজ এজেন্টকে।

কয়েকদিন আগে টোকিওতে এই সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রোবোটিকসের একটি সংগঠন। সেখানে তোলা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কয়েকটি টেবিলে জোড়ায় জোড়ায় যুবক-যুবতীরা বসে আছে। আর সামনে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছে দুটি করে ছোট্ট রোবট।  ওই রোবটগুলিতে আগে থেকেই টেবিলে বসে থাকা যুবক-যুবতীদের পছন্দ-অপছন্দ, অভ্যাস ও ইচ্ছা-অনিচ্ছা সংক্রান্ত ৪৫টি প্রশ্নের উত্তর রেকর্ড করা আছে। আর তা এমনভাবে প্রোগ্রামিং করা আছে যে পাশাপাশি চুপচাপ বসে থাকা যুবক-যুবতীর প্রশ্নগুলি একে-অপরকে করার পাশাপাশি কারও মনেই যেন আঘাত না লাগে সেভাবে জবাব দিচ্ছে। এর জন্য তাদের মধ্যে ইনপুট করা হয়েছে অসংখ্য শব্দের ভান্ডার। এদের সাহায্যেই কোনও কথা না বলেই একে অপরের সব কথা জেনে নিচ্ছে ওই যুবক-যুবতী।

জাপানের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড জনপ্রিয় হয়েছে এই উদ্যোগ। এর ফলে সেখানকার যুবক-যুবতীদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের উৎসাহ বাড়বে বলেই অভিমত প্রকাশ করেছেন মনস্তত্ত্ববিদরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.