BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সিম সোয়্যাপের জালিয়াতদের থেকে সাবধান! ২ লক্ষেরও বেশি টাকা খোয়ালেন এই মহিলা

Published by: Biswadip Dey |    Posted: September 16, 2020 7:58 pm|    Updated: September 16, 2020 7:58 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধীরে ধীরে ডিজিটাল হয়ে ওঠার পথে এগোচ্ছে দেশ। আর তত বেশি করে অনলাইনে প্রতারকদের (SIM Swap Frauds) জালিয়াতির পরিমাণ বেড়ে চলেছে। বারবার সাবধান করা সত্ত্বেও ফোনে অপরিচিত ব্যক্তিকে তথ্য সরবরাহ করার মতো ভুল করার খেসারত দিতে হচ্ছে বহু মানুষকে। চোখের নিমেষে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে হাওয়া হয়ে যাচ্ছে উপার্জিত অর্থ।

সম্প্রতি তেমনই এক জালিয়াতির শিকার হয়েছেন পুণের এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে খোওয়া গিয়েছে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। ঘটনাটি ঘটেছে মে মাসের ২৮ তারিখে। ৩৯ বছরের ওই প্রতারিত মহিলা জানিয়েছেন, ওই দিন তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। ফোনে বলা হয়, তিনি যে টেলিকম সংস্থার সিম ব্যবহার করেন ফোনটি সেখান থেকেই করা হচ্ছে। এরপর তাঁকে জানানো হয়, তাঁর সিমটি আসলে ৩জি। ফলে সেটিকে অবিলম্বে ৪জি-তে আপগ্রেড না করলে যে কোনও মুহূর্তে তা ব্লক হতে পারে।

[আরও পড়ুন: আইনজীবী রজত দে হত্যাকাণ্ডে যাবজ্জীবন স্ত্রী অনিন্দিতার, রায় ঘোষণা বারাসত আদালতের]

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, প্রতারকের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেন ওই মহিলা। তাঁর ফোনে পাঠানো হয় একটি ২০ সংখ্যার কোড। সেটিতে তাঁকে ক্লিক করতে বলা হয়। আর তিনি ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই ব্লক হয়ে যায় সিমটি।

এইভাবে ওই মহিলার সিম ব্লক করে সেই সিমটির ক্লোন তৈরি করে নেয় প্রতারকরা। আর তার সাহায্যেই তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ২.২ লক্ষ টাকা সরিয়ে নেয়। ব্যাংকের মেসেজ পেয়ে অবশেষে নিজের ভুল বুঝতে পারেন মহিলা। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গিয়েছে। অ্যাকাউন্টটি ব্লক করলেও ততক্ষণে ২.২ লক্ষ হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা।

[আরও পড়ুন: অপেক্ষা শেষ, কেন্দ্র সবুজ সংকেত দিলেই রাশিয়ার করোনা টিকার ১০ কোটি ডোজ পাবে ভারত]

পুণের অলঙ্কার পুলিশ থানায় ওই মহিলার দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি তারা।

সিম সোয়্যাপ করে জালিয়াতির ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটলেও এখনও এ ব্যাপারে সচেতন নন অনেকেই। এই ধরনের জালিয়াতি থেকে বাঁচার উপায়ই হল, ফোনে কোনওরকম জরুরি তথ্য শেয়ার না করা। অন্যথায় সামান্য অসতর্কতায় ফাঁকা হয়ে যেতে পারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement