BREAKING NEWS

২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

আরও পাঁচটি ভাষায় করা যাবে স্ন্যাপচ্যাট, থাকছে বাংলাও

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: February 8, 2020 8:53 pm|    Updated: February 8, 2020 8:53 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আত্মপ্রকাশের পর থেকেই ভারতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ফটো শেয়ারিং অ্যাপলিকেশন স্ন্যাপচ্যাট (Snapchat)। গত বছর ভারতের বাজার আসার পর এতদিন পর্যন্ত হিন্দি, মারাঠি, গুজরাটি ও পাঞ্জাবি ভাষায় ব্যবহার করা যেত ছবির মাধ্যমে বার্তা আদান প্রদান করার মাল্টিমিডিয়া ভিত্তিক এই মোবাইল অ্যাপলিকেশনটি। কিন্তু, এবার থেকে তাতে আরও পাঁচটি ভাষা যুক্ত করা হল। এর ফলে মোট নটি ভারতীয় ভাষায় এই মোবাইল অ্যাপলিকেশনটি ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকরা।

এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়েছে সংস্থাটির তরফে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, এতদিন পর্যন্ত মোট চারটি ভাষায় এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারতেন পরিষেবা গ্রহণকারীরা। এবার থেকে বাংলা, কন্নড়, মালায়লম, তামিল ও তেলগু ভাষাতেও এটি ব্যবহার করা যাবে। ফেসবুক নিয়ন্ত্রিত ইনস্ট্রাগ্রাম হচ্ছে বর্তমান ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফটো শেয়ারিং অ্যাপ। একে টেক্কা দিতে ভারতের সমস্ত রাজ্যের উপযোগী সাপোর্ট সিস্টেম তৈরি করতে চাইছে স্ন্যাপচ্যাটের মূল কোম্পানি স্ন্যাপচ্যাট ইনকর্পোরেশন।

[আরও পড়ুন: মহিলাদের সাহস জোগাবে ‘অভয়া’, নয়া অ্যাপ আনল আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেট]

 

এপ্রসঙ্গে স্ন্যাপ ইনকর্পোরেশনের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটসের ম্যানেজিং ডায়রেক্টর নানা মুরুগেসান বলেন, ‘ভারতে থাকা বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ভাষাভাষী মানুষের জন্য ক্রমাগত গবেষণা করে চলেছি আমরা। কীভাবে এই অ্যাপের নতুন ফিচারগুলিতে আমাদের দেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধগুলিকে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব তা নিয়ে অবিরত আলোচনা চলছে। গত এক বছর ধরে প্রতিদিন আমাদের অ্যাপ ব্যবহারকারী মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই উত্তেজিত।’

[আরও পড়ুন: আধুনিক সাজে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো, দেখে নিন সুবিধাগুলি]

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত এই কোম্পানিটি তৈরি করেন স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ইভান স্পিজেল, ববি মার্ফি, এবং র‍্যাগি ব্রাউন। বর্তমানে সারা বিশ্বজুড়ে ২১৮ মিলিয়ন মানুষ এটা ব্যবহার করেন। গত বছর ভারতে আসার পর মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বইতে প্রথম অফিস তৈরি করে তারা। তারপর থেকে এই দেশের বাজার ধরতে স্থানীয় বিজ্ঞাপনদাতাদের পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনের দিকেও নজর রেখেছে। ফলে ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই মাল্টিমিডিয়া ভিত্তিক এই মোবাইল অ্যাপলিকেশনটি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement