Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Digha tour

একাধিক সমস্যা, করোনা পরীক্ষা শিবির চালুর পরই বন্ধ দিঘার হোটেলগুলিতে

৪৮ ঘণ্টা আগের করোনা টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে যেতে হবে সমুদ্র সৈকতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২১, ২১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২১, ২১:৩৮

options
link
একাধিক সমস্যা, করোনা পরীক্ষা শিবির চালুর পরই বন্ধ দিঘার হোটেলগুলিতে zoom

রঞ্জন মহাপাত্র: পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে দিঘার (Digha) হোটেল সংগঠনের আয়োজিত করোনা (Corona Virus) পরীক্ষার শিবির বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হল পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বুধবার সকাল থেকে স্বাস্থ্য দপ্তরের সহযোগিতায় পর্যটকদের দিঘার হোটেল সংগঠন কোভিড (COVID-19) পরীক্ষা শুরু করে। সেখানে এক পর্যটকের পজিটিভ রিপোর্ট আসে। সেই পর্যটককে কলকাতায় ফেরত পাঠানো হয়। সেই ঘটনার পর পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসনের দাবি, দিঘার হোটেলে ঢুকতে গেলে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে শুনে পর্যটকেরা অনায়াসে সৈকতের টানে চলে আসবেন। যদি কোন পর্যটকের শরীরে করোনা সংক্রমণ থাকে তাহলে ফেরার রাস্তায় তাঁর থেকে অন্যরাও সংক্রমিত হতে পারে। তাই পর্যটকদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় করোনা নেগেটিভ শংসাপত্র নিয়েই বের হতে হবে। তাছাড়া জেলায় দিনে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার করোনা পরীক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে। কিন্তু দিঘায় যেভাবে পর্যটকের ভিড় বাড়ছে, সেখানে দিনে কয়েক হাজার পর্যটকের করোনা করার মত কিট ও সরঞ্জাম নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পাশাপাশি জেলার বাইরে থেকে আসা পর্যটকেরা দিঘায় এসে করোনা পজিটিভ হিসেবে ধরা পড়লে সেই মানুষদের রাখার মত পরিকাঠামোও জেলায় নেই। প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলার মানুষকে পরিষেবা দেওয়া এখন প্রশাসনের এখন প্রধান দায়িত্ব। তাই পর্যটকদের হাতে করে করোনা নেগেটিভ শংসাপত্র নিয়েই আসতে হবে পর্যটন কেন্দ্রে। জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজি বলেন, “জেলায় দৈনিক প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার মানুষের পরীক্ষা করার কিট প্রয়োজন হয়। দিঘায় শনিবার ও রবিবারই প্রায় ২৫ হাজারের বেশি পর্যটক আসছেন। তাছাড়া রোজই ভিড় হচ্ছে। এত করোনা পরীক্ষার কিট মজুত নেই। জেলার মানুষকে আগে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তারপরে পর্যটক। দিঘায় পরীক্ষা হচ্ছে জানলে পর্যটকরা সোজা দিঘায় চলে আসবেন। কেউ যদি সংক্রমণ নিয়ে আসেন তবে তিনি আসার পথে প্রচুর মানুষকে সংক্রমিত করে আসবেন। তা রোখাটা ও আমাদের কাছে জরুরি। পাশাপাশি সংক্রমিত মানুষকে রাখার মতো পরিকাঠামো নেই জেলায়। তাই পর্যটকদের বাড়ির বাইরে বের হতে গেলে হতে নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে আসতেই হবে।”

[আরও পড়ুন: সংক্রমণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ, এবার দার্জিলিং সফরেও বাধ্যতামূলক COVID রিপোর্ট]

করোনার কারণে গৃহবন্দি অবস্থায় আর কাটছে না দিন। তাই পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হতেই রাজ্য সরকারের ছাড়পত্র পেয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন ভ্রমণ পিপাসু বাঙালি। কয়েকদিন বেশ ভিড় জমছিল দিঘায়। কিন্তু অতিমারী আবহে ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়েও তো সতর্ক থাকতে হবে। তাই দিঘা যেতে হলে, হয় করোনা টিকার দু’টি ডোজ় নেওয়ার শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা ৪৮ ঘণ্টা আগে আসা করোনা টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে যেতে হবে। নয়তো সমুদ্র বিলাসে ‘নো এন্ট্রি’। এই নির্দেশিকা আসার পরেই ভাবনায় পড়েছিলেন পর্যটকেরা। চিন্তায় ছিলেন ব্যবসায়ীরা। মুশকিল আসান করতে এগিয়ে আসে শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। দিঘাতেই পর্যটকদের জন্য কোভিড (Covid Pandemic) পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু দিঘায় এসে পর্যটকরা করোনা পরীক্ষা করলে বিভিন্ন সমস্যার কথা ভেবে এবং জেলার পরিকাঠামোর কথা মাথায় রেখে সেই পরীক্ষা বন্ধ করার নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসন।

এদিকে বুধবার রাত থেকে হোটেলে হোটেলে অভিযান চালাতে শুরু করেছে দিঘা থানার পুলিশ (Digha Police Station)। ফলে পর্যটকরা হোটেল বুকিং বাতিল করতে শুরু করেছেন। ফলে ফের হতাশা নেমে এসেছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। হোটেল সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, “পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে করোনা পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে দিঘার একাধিক হোটেলে বুকিং বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে হোটেল ও বন্ধ করে দিতে হবে।”

[আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতন-তারাপীঠে বেড়াতে যাবেন? সঙ্গে অবশ্যই রাখুন কোভিড টেস্টের রিপোর্ট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.