Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
ঝুলন্ত হোটেল

খাদের ধারে ঝুলন্ত হোটেল! রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার স্বাদ নিতে চলে আসুন এখানে

ব্যালকনি দিয়ে হাঁটলে মনে হবে, পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খাবেন!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৯, ১৭:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৯, ১৭:৫৫

options
link
খাদের ধারে ঝুলন্ত হোটেল! রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার স্বাদ নিতে চলে আসুন এখানে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাহাড়ে ঘুরতে গেলে নিশ্চই একটু কোলঘেঁষা হোটেলে থাকতে ইচ্ছে করে? কিন্তু এমন হোটেল কি দেখেছেন, যা একেবারে খাদের ধারে ঝুলন্ত? সামনে শুধুই গভীর গিরিখাত আর ঝরণা৷ হোটেলের অবস্থান এমনই, যেন ব্যালকনি দিয়ে হাঁটতে গেলে মনে হবে, সোজা পাহাড়ে গিয়ে ধাক্কা খাবেন৷ নিশ্চয়ই এই রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি কখনও হননি?

[আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে পর্যটন সার্কিট গড়তে যৌথ উদ্যোগ ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের]

তাহলে এবার আপনার এই অভিজ্ঞতা হতেই পারে৷ তুরস্কের এক ডিজাইনার স্টুডিও এমনই হোটেল তৈরির নকশা বানিয়েছে৷ সুদূর নরওয়ের দক্ষিণ দিকে পালপিট রক৷ উচ্চতা ১৯৮১ ফুট৷ আর সেই উচ্চতাতেই একটি হোটেলের নকশা করতে চান হায়ারি আতাক নামে তুরস্কের ওই আর্কিটেক্ট৷ যেখানে থাকলে একেবারে প্রত্যক্ষভাবে বোঝা যাবে, খাদের ধারে থাকা বলতে ঠিক কী বোঝায়৷

Advertisement

কেমন হবে সেই হোটেল? হায়ারির নকশা অনুযায়ী, ওই উচ্চতায় একটি তিনতলা হোটেল তৈরি হবে৷ যার কিনার ধরে থাকবে বড় একটি ভিউ পয়েন্ট৷ প্রতিটি তলায় ঝুলন্ত বা বেরিয়ে থাকা ব্যালকনি থাকবে, যাতে সেখানে বসে প্রকৃতির দিগন্তজোড়া ক্যানভাস দেখতে পান পর্যটকের দল৷ আরও একটি আকর্ষণীয় বিষয় থাকবে হোটেলে৷ প্রতিটি ফ্লোর হবে স্বচ্ছ৷ সবচেয়ে নিচতলায় তৈরি হওয়া সুইমিং পুলটি যে কোনও তলা থেকে নিচের দিকে তাকালে দেখা যাবে৷ সিড়ি ভেঙে নামতে হবে না সুইমিং পুলে৷ দড়ি বেয়ে সোজা নেমে আসা যাবে, যাতে রোমাঞ্চ আরও বাড়বে৷

[আরও পড়ুন: ইউনেস্কোর হেরিটেজ তকমা হারাতে পারে দার্জিলিংয়ের টয়ট্রেন]

নিজের এই কাল্পনিক নকশা প্রসঙ্গে হায়ারি নিজে বলছেন, ‘একবার এক বন্ধু গিয়েছিল নরওয়ে সফরে৷ সে এই পালপিট রকের ছবি পাঠিয়ে লিখেছে, দ্য রক৷ খাদের ধারে পাথুরে একটা খাড়া শৃঙ্গ৷ আমি ছবি দেখেই বুঝেছিলাম, জায়গাটা দুর্দান্ত৷ চোখে না দেখেই আমি যেন চোখের সামনে সবটা দেখতে পাচ্ছিলাম৷ আর সেই সঙ্গেই আমার মাথায় খেলে যায়, এখানে একটা ঝুলন্ত হোটেল তৈরি করলেই প্রকৃত অর্থে খাদের কিনারায় বসবাসের অভিজ্ঞতা হবে৷’ যদিও হায়ারির নকশা করা এই হোটেল তৈরির অনুমতি এখনও মেলেনি৷ তাই কবে, কখন তা তৈরি হবে, সে বিষয় এখনই কিছু জানা যাচ্ছে না৷ তবে অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় পর্যটক মাত্রই এই ঝুলন্ত খাদের ধারে হোটেলে থাকার কল্পনায় মশগুল হচ্ছেন, তা বোঝাই যাচ্ছে৷  

cliff-hotel2

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.