গরমের ছুটিতে বেশিরভাগ ভ্রমণপিপাসু বাঙালির প্রিয় জায়গা পাহাড়। অনেকে আবার ভিড় এড়াতে পছন্দ করে অফবিট জায়গা। তেমনই দুই পাহাড়ি শহরের সন্ধান দিচ্ছেন মানসী দাস মণ্ডল।
গিয়ালসিং
পশ্চিম সিকিমের সদর শহর এই গিয়ালসিং। পর্যটকের মন ছুঁয়ে যাওয়ার জন্য এখানে আছে ছোট ছোট বেশ কিছু স্পট। তবে গিয়ালসিং-এর নাম এখন গেইজিং। গ্যাংটক থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দূরে গেইজিংয়ের প্রধান আকর্ষণ পেমিয়াংসে মনাস্ট্রি ও সংহাচলিং মনাস্ট্রি। গিয়ালসিং থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরত্বে পেমিয়াংসে মনাস্ট্রি। বহু পুরনো এই মনাস্ট্রি তিনতলা। মঠের দেওয়ালে জাতকের গল্প সুন্দর করে আঁকা। তবে কালের নিয়মে তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এছাড়া এখান থেকে আপার পেলিংও খুব কাছে। আবার এখানে খেচিপেরি লেকের দিকে ট্রেকিংয়ের রুট আছে। আবার ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে বৌদ্ধ সংস্কৃতির উৎসবও এখানে দেখে নিতে পারেন। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আবহাওয়া পরিষ্কার পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তবে গরমকালেও যেতে পারেন।
[ আরও পড়ুন: ভিড় থেকে দূরে সময় কাটাতে চান? ঘুরে আসতে পারেন মৈরাংয়ে ]

চোপতা ভ্যালি
উত্তর-পূর্ব সিকিমের একটি স্বর্গীয় স্থান চোপতা ভ্যালি। এর একদিকে রয়েছে এঁকেবেঁকে বয়ে যাওয়া নদী এবং অপরদিকে বরফে ঢাকা পর্বতমালা। গুরুদংমার লেক যাওয়ার পথেই পড়ে এই ভ্যালি। চেনা, অচেনা অসংখ্য ফুলের গাছ একে মোহময়ী করে তুলেছে। গ্রীষ্মের সময় এর রূপ দেখার মতো। সবুজ বনানীর মাঝখানে রাস্তার চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দুই পাশের পাহাড় উপভোগ করতে করতে শুধু এগিয়ে যাওয়া। তবে এর ফুলে ছাওয়া ভ্যালি উপভোগ করতে হলে বসন্তের সময় আসতে হবে। আর এর রডোডেনড্রনের গাঢ় রং উপভোগ করতে হলে আসতে হবে শীতের সময়। রয়েছে গুরুদংমার লেক- যার জল মাইনাস ডিগ্রি টেম্পারেচারে কখনও জমে না। কোথাও যেন এক অদ্ভূত পৌরাণিক মহিমা। সব মিলিয়ে এর অভিজ্ঞতা হতে পারে একেবারে অন্যরকম।
[ আরও পড়ুন: পাহাড়ের কোলে কাটাতে চান গরমের ছুটি? রইল তিনটি অফবিট গন্তব্যের সন্ধান ]
সর্বশেষ খবর
-
যাদবপুরে ‘আজাদি’ স্লোগান, প্রতিবাদের নামে যাদবপুরে বহিরাগত ঢোকাচ্ছে বামেরা! ‘দ্বিখণ্ডিত’ জুটা
-
শাহের উত্তরবঙ্গ সফর, অন্ধ্রপ্রদেশ যাওয়ার পথে এনজেপি স্টেশনে পাকড়াও ৪ রোহিঙ্গা!
-
রোদে বেরলেই চোখ কটকট? ত্বকের মতো চোখেও ‘সানবার্ন’! চিনে নিন ৮ লক্ষণ
-
‘রাজনৈতিক দলের উসকানি থেকে দূরে থাকা উচিত’, যাদবপুর কাণ্ডে মুখ খুললেন রাসবিহারীর বিধায়ক
-
চিনি সংকটে ভারতীয় বাজারে নজর পাকিস্তানের! শাহবাজ সরকারের কাছে আর্জি ব্যবসায়ীদের